বর্তমানে চ্যাট জিপিটি (Chat GPT) নিয়ে সারা বিশ্বে অনলাইনে এবং প্রযুক্তির জগতে ঘুবই আলোচিত হচ্ছে। চ্যাট জিপিটি (Chat GPT) এটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) দিয়ে তৈরি এক প্রকার চ্যাট বট। মানুষ বর্তমানে এই সম্পর্কে জানতে খুবই আগ্রহী।
অনেকেই ধারণা করছেন, এই chat gpt ভবিষ্যতে google search এর সঙ্গেও প্রতিযোগিতা করতে পারে। এই চ্যাট জিপিটির কাজ হল কেও কোন প্রশ্ন করলে তার উত্তর লিখে দেওয়া। এটি মানুষের মতই Text তৈরি করতে সক্ষম।
বর্তমানে এটি নিয়ে কাজ চলছে এবং যত দ্রুত সম্ভব এটি ব্যাপকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত যারা এটি পরীক্ষা করেছেন তারা সবাই এটিকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তাহলে চলুন জেনে নেই চ্যাট জিপিটি কি?, chat gpt এর ইতিহাস কি? এবং এটি কিভাবে কাজ করে।
Chat GPT Highlight :
- নাম -ঃ চ্যাট জিপিটি (Chat GPT)
- অফিসিয়াল ওয়েবসাইট -ঃ chat.openai.com
- শুরু হওয়ার তারিখ -ঃ 30 নভেম্বর 2022
- ধরন -ঃ আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স চ্যাটবট (AI Chatbot)
- অরিজিনাল কোম্পানি -ঃ ওপেন এআই
- সিইও -ঃ স্যাম অল্টম্যান
চ্যাট জিপিটি কী? (What is Chat GPT?
Chat GPT হচ্ছে একটি প্রাক প্রশিক্ষিত ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল যা ওপেনএআই দ্বারা তৈরি এক প্রকার চ্যাট বট। এটি GPT – 3 (Chat Generative Pre-trained Transformer 3) মডেলের একটি রুপ। যা কথোপকথন (Conversation) এবং ভাষা বোঝার কাজ করে। যেমন- Text Generate, যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া এবং ভাষা অনুবাদের জন্য প্রশিক্ষিত। এই চ্যাট জিপিটিকে প্রচুর পরিমানে বিভিন্ন text ডেটার উপর প্রশিক্ষিত করা হয়েছে।
Chat GPT এর ফুল ফর্ম হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer (চ্যাট জেনারেটিভ প্রি-ট্রেনড ট্রান্সফরমার)। এর দ্বারা আপনি কবিতা, স্ক্রিপ্ট, সিভি, কাভারিং লেটার, জীবনী এবং যেকোনো কোডিং সহজেই লিখতে পারবেন।
আমরা যদি চ্যাট জিপিটিকে কোন সার্চ ইঞ্জিনের ধরণ হিসেবে বিবেচনা করি তাহলেও কোন ভুল হবেনা। আপনি চ্যাট জিপিটিতে লিখে যে প্রশ্নই করুন না কেন সেই প্রশ্নের উত্তর বিস্তারিতভাবে পেতে পারেন।
চ্যাট জিপিটির ইতিহাস (Chat GPT History)
Chat GPT ২০১৫ সালে স্যাম অল্টম্যান নামক এক ব্যক্তি ইলন মাস্কের সঙ্গে শুরু করেছিলেন। যখন চ্যাট জিপিটি শুরু হয়েছিল তখন এটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ছিল। কিন্তু ১ থেকে ২ বছর পর এটি ছেড়ে দেন ইলন মাস্ক।
এরপর ২০১৯ সালের জুন মাসে GPT -3 মডেলটি প্রথম ঘোষণা করা হয়। এরপর নভেম্বর মাসে OpenAI API এর মাধ্যমে কিছু সংখ্যক পরীক্ষকের জন্য এটি উন্মুক্ত করা হয়। জানা যায় এই মডেলটিকে ৫৭০ জিবির বেশি টেক্সট ডেটার ডাটাসেটে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল।
২০২০ সালের অক্টোবর মাসে ওপেনএআই জিপিটি-৩ মডেলের “চ্যাট জিপিটি” নামে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) দ্বারা তৈরি এক প্রকার চ্যাট বট প্রকাশ করে। এই মডেলটি যেকোনো কথোপকথন এবং ভাষা বোঝার জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত।
Also Read
এরপর ২০২২ সালের নভেম্বর মাসের শেষের দিকে ওপেনএআই পারফরম্যান্স উন্নতি এবং নতুন আপডেটসহ চ্যাট জিপিটির একটি নতুন সংস্করণ প্রকাশ করে।
ওপেনএআই জিপিটির মডেলগুলোর আরও উন্নতি করছে। তারা জিপিটি-৪ (যা এখনো প্রকাশিত হয়নি) নামে আরো একটি মডেল বানাচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে যা আরও নির্ভুল, উন্নত ক্ষমতা এবং বহুমুখী হবে।
চ্যাট জিপিটি কিভাবে কাজ করে? (How to works Chat GPT?)
Chat GPT কাজ করে কিভাবে এই বিষয়ে বিস্তারিত ইনফরমেশন দিয়েছে এর ওয়েবসাইটটি। মূলত কোম্পানির ডেভেলপার দ্বারা এটিকে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
এটিকে এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এই চ্যাট বটটি আপনার সার্চের প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পায় এরপর সঠিকভাবে এবং সঠিক ভাষায় উত্তর দেয়। এরপর ফলাফলটি আপনার সামনে প্রদর্শন করে। এখানে আপনি সেই প্রশ্নের উত্তরে সন্তুষ্ট কিনা সেটাও বলার অপশন পাবেন।
এখানে যে উত্তরই দেউয়া হোকনা কেন চ্যাট জিপিটি তার ডেটা স্টোরকে প্রতিনিয়ত আপডেট করতে থাকে। যাই হোক, আমি ইতিমধ্যেই এখানে বলেছি যে ২০২২ সালে এর প্রশিক্ষণ শেষ হয়ে গিয়েছে।
চ্যাট জিপিটির বৈশিষ্ট্য –
এবার দেখে নেই চ্যাট জিপিটি সম্পর্কে প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো কি কি?
- চ্যাটের (Chat) মাধ্যমে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ভাষা ইনপুট (Natural Input Language) বোঝার এবং প্রতিক্রিয়া জানানোর বিশেষ ক্ষমতা।
- এটি চ্যাট বক্সের মাধ্যমে চ্যাটিং চালিয়ে যেতে পারে এবং যেকোনো প্রশ্নের স্বাভাবিক উত্তর দিতে পারে। চ্যাট জিপিটি (Chat GPT) এমনকি যেকোনো গল্প এবং কবিতার মতো সৃজনশীল পাঠ্য তৈরিতেও খুব সক্ষম।
- এটি প্রোগ্রামারদের বিভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল তৈরি করতে এবং কোডিংয়ে ভূল চিহ্নিত করতে সাহায্য করে।
- চ্যাট জিপিটিকে বিভিন্ন সফটওয়্যার- যেমন চ্যাটবট, ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট এবং ভাষা অনুবাদের কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।
- এটি টেক্সট বক্সে মানুষের মতো টেক্সট আদানপ্রদান করতে পারে।
- প্রাকৃতিক ভাষা প্রসেসিং এবং কথোপকথন।
আপনি এখানে যে প্রশ্নই করুন না কেন আপনি সঙ্গে সঙ্গেই তার উত্তর পেয়ে যাবেন।
বর্তমানে এখন পর্যন্ত এই এই সুবিধা ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কোন পেমেন্ট নেওয়া হয় না। এই সুবিধাগুলো মানুষের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চালু করেছে ওপেনএআই। তবে ভবিষ্যতে এটি ব্যবহার করতে আপনাকে পেমেন্ট করতে হতে পারে।
চ্যাট জিপিটি কিভাবে ব্যবহার করবেন? (How to use Chat GPT)
Chat GPT ব্যবহার করতে আপনাকে এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। আর সেই ওয়েবসাইটে আপনাকে একটা একাউন্ট তৈরি করতে হবে। আপনি একাউন্ট খোলার পরই এটি ব্যবহার করতে পারবেন। নিচে একাউন্ট খোলার পদ্ধতিটি দেয়া হলো-
চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করতে আপনাকে প্রথমে মোবাইল অথবা কম্পিউটারে ইন্টারনেট কানেক্ট করতে হবে। এরপর যেকোন ব্রাউজার ওপেন করতে হবে। ব্রাউজার ওপেন হবার পর chat.openai.com এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

ওয়েবসাইটে প্রবেশের পর আপনি এর হোমপেইজে লগইন এবং সাইনআপ করার দুটি অপশন দেখতে পাবেন। এর মধ্যে আপনাকে সাইনআপ বাটনে ক্লিক করতে হবে। কেননা আপনি প্রথমবার একাউন্ট তৈরি করছেন।

এখানে আপনি ইমেইল আইডি অথবা জিমেইল বা মাইক্রোসফট একাউন্ট ব্যবহার করে একাউন্ট তৈরি করতে পারেন। জিমেইল আইডি দিয়ে একাউন্ট খুলতে আপনাকে Continue with google এই অপশনে ক্লিক করতে হবে।
তারপর আপনার ব্রাউজারে যেই জিমেইল আইডি লগইন করা আছে সেইগুলা দেখতে পাবেন। এরপর আপনি যে জিমেইল দিয়ে একাউন্ট করতে চান সেই জিমেইলের উপর ক্লিক করতে হবে। এরপর আপনার সামনে যেদুটি বক্স আছে সেখানে আপনার নাম এবং ফোন নাম্বার লিখতে হবে। এরপর Continue বাটনে ক্লিক করতে হবে।
এরপর আপনি যে নাম্বারটি দিয়েছেন সেই নাম্বারে একটি ওটিপি কোড পাঠানো হবে। এরপর আপনার সামনে যে বক্সটি দেখতে পাচ্ছেন সেখানে সেই OTP কোড বসিয়ে ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করুন।
মোবাইল নাম্বার যাচাইয়ের পর আপনার একাউন্ট খোলার কার্যক্রম সম্পূর্ণ হবে। এরপর আপনি চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করতে পারবেন।
চ্যাট জিপিটির সুবিধা (Chat GPT Benefits)
এই প্রযুক্তি নতুন চালু হয়েছে বিধায় অনেকেই এর সুবিধাগুলো সম্পর্কে জানতে আগ্রহী। আসুন আমরা এর সুবিধাগুলো সম্পর্কে জেনে নেই -ঃ
উচ্চ-মানের টেক্সট জেনারেশন -ঃ
- এটি অধিক পরিমাণে টেক্সট ডেটার উপর প্রাক-প্রশিক্ষিত। এটি নানান বিষয়ের উপর সুসংগঠিত এবং সাবলীল পাঠ্য তৈরিতে সক্ষম।
- কথোপকথন বোঝা : এটি কথোপকথন এবং যেকোনো ল্যাঙ্গুয়েজ বোঝার কাজগুলি করতে সক্ষম। এটি চ্যাটবট এবং ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট তৈরিতে সক্ষম।
- ভাষা প্রক্রিয়াকরণে : এটি বিভিন্ন ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন- সৃজনশীল পাঠ্য তৈরি, যেকোনো প্রশ্নের উত্তর এবং ভাষা অনুবাদ ইত্যাদি ইত্যাদি।
- উন্নত কর্মক্ষমতা : ওপেনএআই প্রতিনিয়ত এটির মডেলের আপডেট এবং উন্নতি নিয়ে কাজ করছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর ক্ষমতা এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
চ্যাট জিপিটির অসুবিধা (Chat GPT Disadvantage )
Chat GPT ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রক্রিয়াকরণ এআই-এর জন্য শক্তিশালী একটি টুল হলেও এর কিছু অসুবিধা রয়েছে। নিচে এর অসুবিধাগুলো বলা হলো-
- কথার প্রসঙ্গ না বোঝা : এটি আপনার কথার প্রেক্ষাপট এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে বোঝার ক্ষেত্রে কিছুটা বিভ্রান্তিমূলক অথবা অর্থহীন প্রতিক্রিয়া দিতে পারে।
- সীমিত যোগ্যতা : এটির কোনো ত্রুটি সনাক্ত করা এবং এর সমাধান করার যোগ্যতা নাও থাকতে পারে।
- সীমিত জ্ঞান : এটি (Chat GPT) বিশেষ করে ২০২২ সালের মার্চ মাসের পরের কোন তথ্য, ঘটনা সরবরাহ করতে পারে না পরবর্তী কোন আপডেট আসলে হয়ত এটি কাটিয়ে উঠবে।
- সৃজনশীলতার অভাব : এই মডেলটি হচ্ছে প্রাক-প্রশিক্ষিত এবং ইনপুটের ওপর ভিত্তি করেই আউটপুট দেয়। তাই এতে সৃজনশীলতা এবং মৌলিকতার অভাব রয়েছে। এটি একই উত্তর মাঝেমধ্যে বারবার পুনরাবৃত্তি করে।
- ভৌত বা বাস্তব জগত সম্পর্কে না জানা : এটি মূলত টেক্সট ডেটার উপর প্রশিক্ষিত। তাই ভৌত জগত সম্পর্কে এর কোন বোঝাপড়া নেই।
- ইন্টারনেটের উপর নির্ভরতা : চ্যাট জিপিটির কাজ করার জন্য একটি ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন। যা কোনো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে অথবা পরিবেশে সমস্যা হতে পারে।
- ভূল তথ্য সরবরাহ : এটি কিছু সময় ভুল তথ্য দিতে পারে।
চ্যাট জিপিটি কি গুগলকে পিছনে ফেলে দেবে?
আমরা অনেক সময় বাংলা, হিন্দি এবং ইংরেজি নিউজ চ্যানেল দেখি। এর পাশাপাশি বাংলা, হিন্দি এবং ইংরেজি নিউজ চ্যানেল দেখেছি। আমরা জানতে পেরেছি বর্তমানে চ্যাট জিপিটি গুগলকে পেছনে ফেলতে পারেনি। কারণ বর্তমানে চ্যাট জিপিটিতে শুধুমাত্র সীমিত তথ্য রয়েছে।
আর এটিতে খুব বেশি উপলিব্ধ অপশনও নেই। এটি দ্বারা ঠিক ততটুকুই উত্তর পাওয়া যায় একে যতটা উত্তর দেওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে গুগলের কাছে পৃথীবির বিভিন্ন ব্যক্তির ডেটা রয়েছে। এজন্য গুগলে আপনি অডিও, ভিডিও ফটো এবং শব্দ বিন্যাসের তথ্য পাওয়া যায়।
এটি ছাড়াও Chat GPT এর একটি অসুবিধা হলো এখানে আপনি প্রশ্নের যে উত্তর পাবেন এটি সঠিক নাও হতে পারে। অন্যদিকে গুগলের আধুনিক প্রযুক্তির এলগরিদম রয়েছে, যার সাহায্যে বোঝা যায় ব্যবহারকারীর ইচ্ছা কি?
ব্যবহারকারী কি খুঁজে বেরাচ্ছে? এজন্য বলা যায় বর্তমানে চ্যাট জিপিটি গুগলকে কখনোই পেছনে ফেলতে পারবে না। সর্বশেষে বলা যায়, যদি চ্যাট জিপিটি প্রতিনিয়ত নিজেকে উন্নত করে, তাহলে গুগলকে পেছনে ফেললেও কখনো হারানোর সম্ভবনা কম।
চ্যাট জিপিটি কি মানুষের চাকরি কমাবে?
প্রযুক্তির কথা বলতে গেলে এমন অনেক প্রযুক্তি যুগে যুগে এসেছে যার কারণে অনেকেই অনেক সময় চাকরি হারিয়েছে। তবে প্রযুক্তি আবার নতুন চাকরির ক্ষেত্রেও তৈরি করে। এই চ্যাট জিপিটির কারণে ভবিষ্যতে অনেকের চাকরি হারাতে হতে পারে। তবে বর্তমানে এর কারণে মানুষের চাকুরিতে কোন ঝুঁকি নেই।
কারণ এর দ্বারা পাওয়া উত্তর সবসময় সঠিক হয় না। তবে ভবিষ্যতে যদি এর টিম কঠোর পরিশ্রম করে এটিকে সবসময় সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে আপডেট করার চেষ্টা করবে। এমন পরিস্থিতি হলে এটি অনেক মানুষের চাকরি হারাতে পারে।
এটি নিয়মিত আপডেট হলে এর কারণে এমন চাকরি হারাতে হতে পারে, যেখানে প্রশ্নোত্তর সম্পর্কিত কাজ হয়। যেমন- কাস্টমার কেয়ার, কোচিং সেন্টার ইত্যাদি।
শেষ কথা -ঃ
এতক্ষণ আমরা জানলাম চ্যাট জিপিটি কি? কিভাবে কাজ করে? কিভাবে ব্যবহার করতে হয়? এর সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে। আমি চেষ্টা করেছি আপনাদের ভেঙে ভেঙে বুঝাতে আশা করছি সবাই বুঝতে পেরেছেন।
এরপরও এই আর্টিকেল সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন বা মতামত থাকলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। যতটুকু সম্ভব উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। এই আর্টিকেলটি ভালো লাগলে অবশ্যই অন্যদের কাছে শেয়ার করবেন। নিয়মিত এমন সব তথ্য জানতে এই ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।


