ফ্রিল্যান্সিং কি মোবাইলের মাধ্যমে করা যায়? কি কি কাজ মোবাইলে করা যায়?

5/5 - (3 votes)

ফ্রিল্যান্সিং মোবাইল দ্বারা কি করা যায়?

ফ্রিল্যান্সিং এর কোন কোন কাজগুলো মোবাইল দিয়ে করা সম্ভব? অনেকেই ভেবে থাকেন ফ্রিল্যান্সিং শুধু ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার দ্বারাই করা যায়। কিন্তু তাদের এ ধারণা সম্পূর্ণ সত্য নয়।

পৃথিবীতে অনলাইনে এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলোর কাজ আমাদের মোবাইল থেকেই করা সম্ভব। এই বর্তমান আধুনিক যুগে কম বেশি সবার হাতেই স্মার্টফোন আছে।

পোস্ট সূচিপত্র

আর আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারের অভাবে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শুরু করতে পারছেন না। যাদের হাতে ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার নেই তারা চাইলে তাদের হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজগুলো শুরু করতে পারেন।

আজকে এই নিবন্ধে আমরা জানতে চলেছি, মোবাইলের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং জগতের কি কি কাজ করা সম্ভব।

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং itshohorbd.com
মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং

আজ আপনি এমন কিছু ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সম্পর্কে ধারণা পাবেন যে কাজগুলোর মাধ্যমে মোবাইলে দ্বারাই টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

ফ্রিল্যান্সিং পেশা কি মোবাইল দ্বারা করা যায় ?

উত্তরটি হল হ্যাঁ অবশ্যই করা যায়, ফ্রিল্যান্সিং আপনার হাতে থাকা মোবাইল থেকেই করা যায়। নতুন ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চাচ্ছেন আপনার কাছে ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার নাই থাকতে পারে।

তবে সব রকমের ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ মোবাইল দ্বারা করা সম্ভব হবে না। এক্ষেত্রে কিছুটা সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। ফ্রিল্যান্সিং এর বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য আপনি মোবাইল ব্যবহার করতেই পারেন।

তবে এখানে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত সীমাবদ্ধতা থাকবেই। ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ মোবাইল দ্বারা করলে, তা আপনার কাজ করার মানসিকতা থেকে শুরু করে, কাজ করার গতি, ব্যবহারযোগ্যতা এবং দক্ষতাও অনেকটা কমিয়ে দিতে পারে।

কিন্তু আপনি যদি এক কেবলমাত্র মোবাইল দিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছেন বা কাজ করবেন বলে ভাবছেন, তাহলে এটাকে এখনই বন্ধ করে দেয়া ঠিক হবে না। এবার চলুন যেনে নেই মোবাইলের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং এর কোন কোন কাজগুলো সহজেই করা যায়।

১। কনটেন্ট রাইটিংঃ

কন্টেন্ট ক্রিয়েশন ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং
কন্টেন্ট ক্রিয়েশন

ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটারের মতো স্মুথলি কাজ করা সম্ভব না হলেও, আপনি আপনার হাতে থাকা মোবাইলের দ্বারাও কনটেন্ট রাইটিং এর কাজ করতে পারেন।

এইকাজ করার জন্য আপনার কেবলমাত্র ভাল লেখার ক্ষমতা, টাইপিং স্পিড এবং কীওয়ার্ড ব্যবহারের নূন্যতম জ্ঞান থাকলেই হবে। এইকাজ করার জন্য উচ্চমানের মোবাইলেরও তেমন কোন প্রয়োজন নেই। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র আপনার মোবাইলে Google Doc অথবা যেকোনো টাইপিং এপস (Typing Application) থাকলেই হবে।

একবার কন্টেন্ট রাইটিং এর কাজ শুরু করলে ধীরে ধীরে আপনার দক্ষতা বাড়বে। আর ধীরে ধীরে আপনার ইনকামের পরিমাণও বাড়তে থাকবে। এরপর পরবর্তীতে আপনি চাইলেই একটা ভাল ল্যাপটপও নিয়ে নিতেই পারবেন।

২। ট্রান্সলেশনঃ

এই বিশ্বজগতে সব মানুষ সকল ভাষা জানেন না এটাই স্বাভাবিক। আর আপনি যদি আপনার ভাষার সাথে অন্য কোন ভাষার ব্যাপারে পারদর্শী হন, তবে আপনি মোবাইল দ্বারাই ফ্রিল্যান্সিং ট্রান্সলেটর হিসেবে কাজ করতে পারেন।

অনলাইনে এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে, যেখান থেকে মোবাইল দ্বারাও ট্রান্সলেটিং টাইপের জব করতে পারবেন। আর ফ্রিল্যান্সিং ট্রান্সলেটরদের সারা পৃথিবীতেই খুব ভাল অর্থ প্রদান করা হয়ে থাকে।

এই ফ্রিল্যান্সিং ট্রান্সলেটরের পেশায় সবচেয়ে ভাল ব্যাপার হল, এই কাজ আপনি ফোন, ট্যাবলেট অথবা কম্পিউটার যেকোনো ডিভাইস থেকেই করে নিতে পারবেন।

৩। কপিরাইটিংঃ

কপিরাইটং কাজটি মূলত কিছুটা কন্টেন্ট রাইটিং কাজ এর মতোই। একাজ করার জন্য আপনার ফোনে কোন টাইপিং Application থাকলেই একাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব।

সাধারণত কপিরাইটিং কাজের ক্ষেত্রে আপনাকে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের জন্যে সৃজনশীল কোনো লেখা লিখে দিতে হবে। এধরণের কাজ মোবাইল দ্বারা করা অত্যন্ত সহজ কাজ।

বর্তমান সময়ে কপিরাইটং কাজ হল নতুনদের মধ্যে সেরা একটি পেশা। এধরনের কাজ করার জন্য আপনাকে কোন নির্দিষ্ট ডিভাইস অথবা স্পেশাল কোন কিছুর ব্যবহার করতে হবে না।

৪। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্টঃ

সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট (Social Media Management) হচ্ছে এমন একটা ফ্রিল্যান্সিং পেশা, যা শুরু করার জন্য বিশেষ কোন সেটআপের বা পূর্বপ্রস্তুতির প্রয়োজন পরে না।

একাজ করার জন্য আপনার কাছে ক্লায়েন্টের সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট গুলোর এক্সেস এবং ফ্রি ডিজাইনিং এপস থাকলেই চলবে। আপনি খুব আরামেই এসব কাজ করতে পারবেন।

একাজটি হল আপনাকে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হয়ে, তাদের সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টগুলোকে পরিচালনা করার মাধ্যমে তাদের লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়া। এইপরিষেবার মাধ্যমে তারা আপনাকে অর্থ প্রদান করবে।

৫। ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্সঃ

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্স একাজটি কিছুটা কম বেতনের কাজ হলেও, অনায়েসে আপনার মোবাইল থেকে খুব সহজেই একাজ করা সম্ভব।

যদি আপনি এই কাজটি আরম্ভ করতে চান কিংবা পেশাদার হিসেবে নিজেকে দাড় করাতে চান তাহলে একটি বাজেট তৈরি করতে পারেন।

এই সেক্টরে আপনাকে আপনার ক্লায়েন্টের হয়ে মিটিংয়ের সময়সূচি নির্ধারণ করা থেকে আরও নানান ধরনের কাজ করতে হতে পারে। যেগুলো আপনি অনায়সে সহজেই মোবাইল থেকেই করতে পারবেন।

৬। কাস্টমার সাপোর্টঃ

এই বর্তমান সময়ে প্রায় ছোট থেকে বড় সব প্রতিষ্ঠানেরই তাদের কাস্টমারদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা দূর করার জন্য কাস্টমার সাপোর্ট এজেন্সি থাকে।

আর আপনি চাইলেই মোবাইলের মাধ্যমে নগদ টাকার বিনিময়ে কোন প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাস্টমার সার্ভিস প্রদান করতেই পারেন। এসমস্ত কাজ করার জন্য আপনার কোন বিশেষ দক্ষতা বা জ্ঞানের প্রয়োজন হবে না।

৭। SEO কীওয়ার্ড ম্যানেজমেন্টঃ

SEO কি ব্লগে কিভাবে এসইও করতে হয় -itshohorbd
SEO কি ব্লগে কিভাবে এসইও করতে হয়

অনলাইনে যেকোনো কন্টেন্টের জন্য এসইও রিলেটেড কীওয়ার্ড রিসার্চ করা মোবাইলের মাধ্যমে সম্ভব। এক্ষেত্রে আপনাকে SEO (Search Engine Optimization) সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান এবং এর ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।

এমন অনেক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা SEO এর জন্য কীওয়ার্ড রিসার্চের জন্য ব্যাপক অর্থ প্রদান করে থাকেন। আর এর পেশাটি হল হাই পেয়বল স্কিল যা খুব সহজেই মোবাইলের মাধ্যমে করা যায়।

৮। ভয়েস ওভারঃ

বিশ্বে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা তাদের নানান প্রজেক্ট ভয়েস ওভার আর্টিস্টদের দিয়ে থাকেন। যদি আপনি একজন দক্ষ বাচনভঙ্গির অধিকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনি মোবাইলের মাধ্যমেও ফ্রিল্যান্সিং ভয়েস ওভার আর্টিস্টের কাজ খুব সহজেই করতে পারেন।

আর আপনি আপনার মোবাইল ফোন থেকে ক্লায়েন্টের জন্য ভয়েস ওভার প্রজেক্টের কাজ শুরু করতে পারেন। আর প্রতি মাসে একটা ভাল পরিমাণে টাকা উপার্জন করতে পারেন।

৯। ভিডিও এডিটিংঃ

ভিডিও এডিটিং-এর দক্ষতা যদি আপনার থাকে তবে এই পেশা থেকেও ফ্রিল্যান্সার হয়ে ভাল টাকা আপনি উপার্জন করতে পারবেন।

বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন থেকে বিভিন্ন ফ্রি ভিডিও এডিটিং এপসের মাধ্যমে খুব সহজেই ভিডিও এডিটিং এর কাজ করা যায়। পৃথিবীতে অনেকেই রয়েছেন যারা ভিডিও এডিটিং করতে পারেন না, আর এই কাজ করতে তারা ফ্রিল্যান্সার ভিডিও এডিটরদের হায়ার করেন।

আর আপনি এবিষয়ে জ্ঞান নিয়ে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সার ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন করে ভিডিও এডিটিং এর কাজ শুরু করতে পারেন।

১০। গ্রাফিক্স ডিজাইনারঃ

আমি কোন পেশাদার গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর কথা বলছি না। তনে ইন্টারনেটে প্রচুর এমন ক্লায়েন্ট রয়েছে, যারা খুব সহজ ডিজাইন করবার জন্য ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক্স ডিজাইনার খোঁজ করে থাকেন।

এখানে তারা বিভিন্ন রকমের গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর প্রজেক্ট অফার করে থাকেন। এর মধ্যে হল-

  • ১। লগো ডিজাইন
  • ২। টি-শার্ট ডিজাইন৩।

ফেসবুক কভার ডিজাইন করা৪। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় কভার ডিজাইন

একজন সদ্য নতুন ডিজাইনার হিসেবে, আপনি ক্যানভা কিংবা অন্যান্য ফ্রি এপসের ব্যবহার করে মোবাইলের মাধ্যমে খুব সহজে প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনিং করতে পারবেন। ক্লায়েন্টের চাহিদার উপর নির্ভর করে আপনি মোবাইলের মাধ্যমে খুব সহজেই নানান রকমের প্রজেক্টও পেতে পারেন।

উপরে উল্লেখিত পেশাগুলো ছাড়াও আপনি মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইন ডিজিটাল প্রডাক্ট বিক্রি, অনলাইন টিউশন এবং আরও অন্যান্য কাজও করতে পারবেন।এই নিবন্ধে আমরা বেশ কয়েকটি সেরা ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মের বা এপসের নাম সেই সাথে লিঙ্ক দিলাম।

যেগুলো ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই মোবাইলের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং পেশা শুরু করতে পারেন।

আরও পড়ুন –

সর্বসেরা ৫টি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম বা অ্যাপ্লিকেশনঃ

  • ১। freelancer
  • ২। Upwork
  • ৩। Fiverr
  • ৪। Internshala
  • ৫। Work n Hire

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য মোবাইল ব্যবহারের সুবিধাঃ

আসুন এবারে জেনে নেই, মোবাইলের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করার কিছু সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কেঃ

  • ১। বর্তমানে এই পেশার জন্য কোনো সময় ও স্থানের সীমাবদ্ধতা নেই।
  • ২। খুব সহজেই ফ্রিল্যান্সিং জগতে প্রবেশ করে নিজেকে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
  • ৩। মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং জগতে নবীনদের জন্য কাজ শুরু করতে এবং প্রাথমিকভাবে টাকা উপার্জন করতে সাহায্য করে।
  • ৪। ভিডিও এডিটিং থেকে শুরু করে গ্রাফিক্স ডিজাইনিং-এর মতো কাজগুলো ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপের পরিবর্তে মোবাইল দ্বারা করা সম্ভব।

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য মোবাইল ব্যবহারের অসুবিধাঃ

  • ১। সর্বপরি মানুষের সামগ্রিক কাজের গতি কমিয়ে দেয়।
  • ২। অনেকের কাছেই মোবাইল ব্যবহার করে কাজ করা খুব একটা আরামদায়ক নয়।
  • ৩। উচ্চমানের উপার্জনের পেশাদার ফ্রিল্যান্সিং কাজগুলো মোবাইলের মাধ্যমে করা সম্ভব হয়না।
  • ৪। মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য খুব বেশি সুবিধাজনক নয়। দীর্ঘ সময় কাজ করলে আপনার উপর কিছুটা মানসিক চাপ তৈরী হতে পারে।
  • ৫। মোবাইল ফোনের প্রচুর কার্যকরী সীমাবদ্ধতা বা লিমিটেশন রয়েছে। যেমন – খুব কম স্টোরেজ, কর্মক্ষমতা সীমিত এবং আরও অন্যান্য।

আসুন, এখন আমরা জানি, ফ্রিল্যান্সারগণ কি কি কারণে মোবাইল ফোনের চেয়ে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে কাজ করতে বেশি পছন্দ করে থাকেন ?

কি কি কারণে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য মোবাইলের চেয়ে উত্তম ?

এতক্ষণ আমরা মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার সুবিধা ও অসুবিধাগুলো সম্পর্কে জেনেছি। কিন্তু এরপরেও ফ্রিল্যান্সারদের কাজ করার জন্য ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারই সেরা বিকল্প সে সম্পর্কে জানব।

  • ১। একসঙ্গে একাধিক কাজ করা সম্ভব অর্থাৎ এককথায় মাল্টিটাস্কিং করা যায়।
  • ২। ক্লায়েন্টদের সঙ্গে প্রফেশনাল মিটিং করার জন্য সেরা মাধ্যম এটি।
  • ৩। প্রচুর পরিমানে স্টোরেজ পাওয়া যায় এবং ভারী প্রফেশনাল সফটওয়্যার চলতে সক্ষম।
  • ৪। কাজ করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা খুব সহজ এবং কাজের গতি বৃদ্ধিতে সহায়ক।
  • ৫। ফ্রিল্যান্সারদের জন্য একটা পেশাদারি ভাব এবং সুষ্ঠু কাজের পরিবেশ গঠন করে।
শেষ কথাঃ

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারই উত্তম হলেও, সাধারণত খুটিনাটি কাজ মোবাইল থেকেও করা সম্ভব। সুতরাং যারা ভাবছেন ল্যাপটপ নেই তাই ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে পারছি না।

তাদের এধারণা ভুল আপনি চাইলে মোবাইল দিয়েই শুরু করতে পারেন এরপর কিছু অর্থ উপার্জন হলে ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার কিনে নিবেন। আমাদের এনিবন্ধ সম্পর্কে আপনার মনে কোন প্রশ্ন কিংবা মতামত থাকলে তা অবশ্যই নিচে কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন।

লেখাটি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। লেখাটি ভাল লাগলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না। আর নিয়মিত নতুন কিছু জানতে এর ওয়েবসাইটের সাথেই থাকুন।

Share Is Caring.. ❤️

           

আসসালামু আলাইকুম। আমি পেশায় একজন চাকুরিজীবী এবং এই ওয়েবসাইটের এডমিন। আমি ব্লগ পড়তে এবং আর্টিকেল লিখতে পছন্দ করি। অবসর সময়ে ব্লগে বিভিন্ন বিষয়ে লিখে শেয়ার করে থাকি।

Leave a Comment