পুরাতন ল্যাপটপ কেনার আগে পরীক্ষা করার নিয়ম

3.7/5 - (3 votes)

যদি আপনি একটি পুরাতন ল্যাপটপ কিনতে চান, তাহলে হয়তো ১০,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকার মধ্যে ভালো কনফিগারেশনের ল্যাপটপ পেয়ে যেতে পারেন।

কিন্তু একটা পুরাতন ল্যাপটপ ক্রয়ের পূর্বে যেসব বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে পরীক্ষা করে দেখে নেয়া উচিৎ, সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে আজ বিস্তারিত আলোচনা করব। যেন আপনি একটি পুরাতন ল্যাপটপ ক্রয় করে ঠকে না যান। কারণ কোনো কিছু বিক্রির পর সেই টাকা আর ফেরত পাওয়া যায় না।

পোস্ট সূচিপত্র

কিংবা পাওয়া গেলেও অনেক কাঠখড় পোহাতে হয়। এজন্য আসুন পুরাতন ল্যাপটপ ক্রয়ের পূর্বে কোন কোন বিষয় গুলো দেখে তারপর কেনা উচিৎ হবে সেগুলো জেনে নেই।

পুরাতন ল্যাপটপ কেনার আগে পরীক্ষা করার নিয়ম
পুরাতন ল্যাপটপ কেনার আগে পরীক্ষা করার নিয়ম

একটি ভালো ল্যাপটপ চেনার কয়েকটি উপায় সম্পর্কে নিচের এই পোস্টটিতে আলোচনা করা হয়েছে। নিচের লিংকে ক্লিক করে সম্পূর্ণ আর্টিকেল টি পড়ে আসতে পারেন। পোস্ট লিংক –

পুরাতন ল্যাপটপ ক্রয়ের পূর্বে পরীক্ষার নিয়ম

ক্যাশ মেমো দেখে ল্যাপটপ কেনা:

একটি পুরাতন ল্যাপটপ ক্রয়ের পূর্বে সর্বপ্রথম সেই ল্যাপটপের ক্যাশ মেমো দেখা উচিৎ। কারণ সেই ক্যাশ মেমোর সঙ্গে ল্যাপটপের সিরিয়াল নাম্বার মিল রয়েছে কি না দেখা যায়। আর সেটাও জানা যাবে বিক্রেতা পুরাতন কিনেছেন কি না অথবা চোরাই ল্যাপটপ কি না।

ক্যাশ মেমোর সঙ্গে যদি মিল থাকে তাহলে সেই সিরিয়ালের ব্যাটারি, চার্জারসহ যা যা দেখা সম্ভব দেখে নিতে হবে। এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে ঠকে যাবার সম্ভাবনা অনেকটা কম। কারণ ক্যাশ মেমোতে ল্যাপটপের সম্পূর্ণ কনফিগারেশন উল্লেখ করা থাকে।

ল্যাপটপের বডি পরীক্ষা করা :

একটি পুরাতন ল্যাপটপের বডিতে কোন সমস্যা আছে কি না এটি ভালোভাবে দেখতে হবে। যেমন- কোন অংশ ভাঙ্গা কিংবা আঘাতের চিহ্ন ইত্যাদি আছে কি না ভালো করে দেখে নিতে হবে।

এরকম যদি আছড় বা আঘাতের দাগ না থাকে তাহলে ল্যাপটপের বডি ঠিক আছে। এটি দেখতে হবে কারণ অনেক সময় বিক্রেতা এসব বিষয় গোপন করে ল্যাপটপ বিক্রি করতে চায়।

যার কারণে আপনি যদি এসব গোপনীয় বিষয় গুলো পূর্বেই ধরতে না পারেন তাহলে ঠকে যাবেন। এজন্য একে সাধারণ ভাবে পরিক্ষা করে নিতে হবে।

ইনপুট আউটপুট পোর্ট পরীক্ষা করা :

এক‌টি পুরাতন ‌ল্যাপটপ ক্রয়ের পূর্বে ল্যাপটপের সব ইনপুট ডিভাইস, আউটপুট ডিভাইস এবং ইউএসবি সহ সব পোর্ট পরিক্ষা করে দেখে নিতে হবে। যেমন- ভিজিএ পোর্ট, হেডফোন পোর্ট, মাইক্রোফোন, কিবোর্ড এবং মাউস ইত্যাদি।

কারণ এসব জিনিস দু একটা খারাপ হতে পারে। এজন্য বিক্রেতাকে টাকা দেওয়ার আগে এসব জিনিস পরিক্ষা করে নিলে ঠকে যাবার সম্ভাবনা কম থাকে।

ইউএসবি পোর্ট পরীক্ষা করা :

একটি পুরাতন ল্যাপটপ ক্রয়ের পূর্বে পেন ড্রাইভ বা ডাটা ক্যাবল দিয়ে সবগুলো ইউএসবি পোর্ট পরিক্ষা করে নিতে হবে। কারণ আপনি ল্যাপটপ ক্রয়ের পর কোন সমস্যা হলে সেটা বিক্রেতা মেনে নেবে না।

এজন্য পরবর্তীতে সে ল্যাপটপ ফেরত নিতে চাইবে না। এজন্য যতটুকু সম্ভব দেখে বুঝে শুনে নিতে হবে। এসব ছোট খাটো বিষয় বলে ছেড়ে দিলে হবে না।

হেডফোন পোর্ট পরীক্ষা করা :

একটি হেডফোন দিয়ে ল্যাপটপের হেডফোন পোর্ট পরিক্ষা করে নেওয়া ভাল। কারণ ল্যাপটপ ক্রয়ের পরে যদি দেখেন হেডফোন পোর্ট খারাপ বা নষ্ট তাহলে আপনার মন খারাপ হতে পারে।

মাইক্রোফোন পরীক্ষা করা :

ল্যাপটপের হেডফোন পোর্ট পরিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে মাইক্রোফোন এবং অতিরিক্ত মাইক্রোফোন সকেট গুলো পরিক্ষা করে নেওয়া উচিত। কারণ ইন্টারনাল এবং এক্সট্রানাল মাইক্রোফোন যদি নষ্ট থাকে তাহলে ল্যাপটপে অডিও এবং ভিডিও রেকর্ড করতে আপনাকে বেশ ঝামেলায় পড়তে হবে।

ক্যামেরা পরীক্ষা করা :

বিভিন্ন সময়ে দেখা যায় ল্যাপটপের ক্যামেরা নষ্ট এবং আন সাপোর্ট করে। এজন্য ক্যামেরা আর কাজ করে না। আবার অনেক সময় দেখা যায় ক্যামেরা পুরাতন হলে ঝাপসা হয়ে যায়।

পুরাতন ল্যাপটপে যদি সমস্যা থাকে তাহলে আপনাকে এর ভোগান্তি পোহাতে হবে।ক্যামেরা যদি শুধু ডিভাইস টি নষ্ট হয় তাহলে সেটি পরবর্তীতে পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। কিন্তু সমস্যা যদি মাদারবোর্ড থেকে সমস্যা হয় তাহলে আপনি পড়বেন মহাবিপদে।

ওয়াইফাই পরীক্ষা করা :

ল্যাপটপ ক্রয়ের পূর্বে ওয়াইফাই সংযোগ হয় কি না চেক করে দেখতে পারেন। কারণ ল্যাপটপ মানেই তো ইন্টারনেট চালানো। এক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে নিজের মোবাইলের হটস্পট চালু করে চেক করতে পারেন। তাহলে ঠকে যাবার সম্ভাবনা কম থাকবে।

হটস্পট পরীক্ষা করা :

বর্তমানে ইন্টারনেট চালানো থেকে শুরু করে কোন ফাইল অন্য ডিভাইসে প্রেরণ করতে হটস্পট এর প্রয়োজন হয়। এজন্য সম্ভব হলে ল্যাপটপের হটস্পট চালু করে আপনার মোবাইলে সংযোগ করে দেখতে পারেন। কেননা এসব ডিভাইস খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে থাকে।

ব্লুটুথ পরিক্ষা করা :

বর্তমানে অনেক ডিভাইস আছে যেগুলো ল্যাপটপের সাথে সংযোগ করতে ব্লুটুথ এর প্রয়োজন হয়। যেমন- কি-বোর্ড , মাউস,হেডফোন কিংবা স্মার্টফোন ইত্যাদি। এজন্য সম্ভব হলে ল্যাপটপের ব্লুটুথ চালু করে একবার পরিক্ষা করে দেখতে পারেন।

নেটওয়ার্ক পরিক্ষা করা :

পুরাতন ল্যাপটপ গুলোতে অনেক সময় দেখা যায় ল্যাপটপের নেটওয়ার্ক ঠিকমতো কাজ করে না। যেমন- মডেম, ইথারনেট কিংবা ওয়াইফাই সংযোগ থাকার পরেও ইন্টারনেট চলে না।

এছাড়া ইন্টারনেট চললেও দেখা যায় খুবই স্লো চলে। তাই এমন সমস্যা এড়াতে আগে থেকেই নেটওয়ার্ক জনিত সমস্যা আছে কি-না একবার পরিক্ষা করে দেখতে পারেন।

ডিভিডি রাইটার পরীক্ষা করা :

ডিভিডি রাইটার নষ্ট হওয়া ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারে একটি কমন সমস্যা। এজন্য পুরাতন ল্যাপটপ ক্রয়ের পূর্বেই ডিভিডি রাইটার পরিক্ষা করে দেখতে পারেন। ডিভিডি রাইটারে প্রবেশ করার পর কপি পেস্ট অথবা ভিডিও চলে কিনা পরিক্ষা করে দেখতে পারেন। এটি করতে ভুলবেন না।

এসডি কার্ড স্লট পরীক্ষা করা :

অনেক ল্যাপটপে আলাদা এসডি স্লট থাকে। এজন্য এসডি স্লট থাকলে সেখানে মেমোরি কার্ড লাগিয়ে চেক করতে পারেন ঠিকঠাক কাজ করছে কি-না। এসডি স্লট যদি ঠিকমতো কাজ না করে সেক্ষেত্রে এটি ঠিক করতে অনেক টাকা ব্যয় হতে পারে। কারণ ল্যাপটপ সার্ভিসিং একটি ব্যয়বহুল কাজ।

কিবোর্ড বাটন পরীক্ষা করা :

ল্যাপটপের কিবোর্ড আগেই পরিক্ষা করে নেওয়া উচিত। কারণ অনেক সময় দেখা যাবে হঠাৎ একটা ল্যাপটপের বাটন কাজ করছে না। কি-বোর্ড ঠিক না থাকলে আপনাকে ১৫০০-২০০০ টাকা দিয়ে অতিরিক্ত একটি কিবোর্ড কিনে নিতে হবে। এজন্য ল্যাপটপ চালু করে মাইক্রোসফট অফিস ওপেন করে প্রতিটি বাটন চেক করে নিবেন।

টার্চ প্যাড পরীক্ষা করা:

বর্তমানে অনেক ল্যাপটপই টাচস্ক্রীন। এজন্য ল্যাপটপের টার্চপ্যাড ঠিক আছে কি-না ভালভাবে হয়াত দিয়ে টাচ করে দেখে নেয়া উচিৎ। কারণ টাচ প্যাড ঠিক না থাকলে অনেক সময় মাউস পয়েন্টার ঠিকমতো কাজ করে না। এজন্য টাচস্ক্রীন ল্যাপটপে টাচ প্যাড ভালভাবে হাত দিয়ে টাচ করে দেখে নেওয়া উত্তম।

ভিজিএ আউটপুট পরিক্ষা করা :

অনেক সময় দেখা যায় ভিজিএ আউটপুট স্লট নষ্ট হয় থাকে আবার কিছু সময় লুজ কানেকশন হয়ে থাকে। এজন্য আগে থেকেই ল্যাপটপের ডিসপ্লে এবং অতিরিক্ত ভিজিএ আউটপুট স্লট পরিক্ষা করে নেওয়া উচিত। যেমন- প্রজেক্টরের সঙ্গে অথবা অন্য কোন মনিটরে সংযোগ করে দেখতে পারেন। এছাড়া মনিটর কয়েকবার সাট এবং ভাজ করে দেখতে পারেন। সমস্যা থাকলে এড়িয়ে চলুন।

চার্জিং এডপ্টার পরিক্ষা করা :

ল্যাপটপের চার্জিং এডাপ্টার এবং চার্জার চেক করে নেয়া উচিৎ। এক্ষেত্রে দেখতে হবে চার্জারটি অরজিন্যাল কিনা। নাকি আলাদা ভাবে পরবর্তীতে কেনা হয়েছে। সেইসাথে দেখতে পারেন আউটপুট ভোল্টেজ সঠিকভাবে দিতে পারছে কিনা। ব্যাটারি লো অবস্থায় চার্জ দিয়ে চলে কিনা। যদি কোনকিছুতে গড়মিল থাকে তাহলে বুঝবেন সমস্যা আছে।

চার্জ ও চার্জিং পরীক্ষা করা :

চার্জিং জনিত কোন সমস্যা আছে কি না সেটি খুব ভালভাবে যাচাই করে দেখে নিন। কারণ পুরাতন ল্যাপটপে এমন অনেক সমস্যা দেখা দেয়। যেগুলো আপনি ১ম দিনে ধরতে পাবেন না।

তবে টানা কয়েকদিন ব্যবহার করলে বুঝতে পারবেন। যেমন – চার্জার সংযোগ করলে ১০০% চার্জ না হয়ে ৬০% বা ৮০% চার্জ হয়ে তারপর চার্জিং Error দেখায়। এমন সমস্যা ল্যাপটপের হতে পারে আবার ব্যাটারি নষ্ট হবার ফলে হতে পারে।

ব্যাটারী পরীক্ষা করা :

ব্যাটারি কত দিনের বা ল্যাপটপের সাথে অরজিন্যাল ব্যাটারি কিনা সেটা জেনে নেওয়া উচিত। ব্যাটারির তথ্য ব্যাটারির বডির সঙ্গে ল্যাপটপের সিরিয়াল নাম্বার মিলালে পেয়ে যাবেন।

ব্যাটারির বয়স কত হলো সেটি ভালো ভাবে বিক্রেতার কাছ থেকে জেনে নিবেন। আরও জানবেন ল্যাপটপ চার্জ হতে কতটুকু সময় লাগে এবং চার্জ দেবার পর একটানা কত ঘন্টা ল্যাপটপ ইউজ করা যায়।

ওভার হিট হচ্ছে কি-না পরীক্ষা করা :

ল্যাপটপ ব্যবহার করার সময় ওভার হিট হচ্ছে কিনা সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ল্যাপটপ কিছুক্ষণ ব্যবহারের ফলে যদি ওভার হিট হয় তাহলে বুঝতে হবে কোন সমস্যা আছে। এটি করতে ভারি সফটওয়্যার গুলো ওপেন করে দেখতে হবে।

যদি দেখেন এইচডি গেমস, এইচডি ভিডিও ওপেন করলে হ্যাং হয় বা রিস্টার্ট নেয় অথবা বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সেই ল্যাপটপ নেয়া যাবে না। ল্যাপটপ যে একেবারে হিট হয় না বিষয় টা তেমন না। আপনাকে বুঝতে হবে সেটি যেন ওভার হিট না হয়। হিট যেন স্বাভাবিক মাত্রায় থাকে।

ডিসপ্লে পরীক্ষা করা :

একটি পুরাতন ল্যাপটপ ক্রয়ের পূর্বে তার ডিসপ্লের পরিক্ষা টা করে নেয়া জরুরি। ডিসপ্লেতে ছোট ডট বা হালকা দাগ থাকতে পারে। সাধারণত যাকে বলা হয় ডেড পিক্সেল।

যা ধীরে ধীরে বড় হয়ে সম্পূর্ণ ডিসপ্লেকে নষ্ট করে ফেলে। এজন্য মাইক্রোসফট অফিস এর সাদা পেজ অন করে ডেড পিক্সেল আছে কিনা সেটি দেখে নিতে হবে।

মোভিং এঙ্গেল পরীক্ষা করা :

ল্যাপটপের মোভিং এঙ্গেল একবার ভালো করে দেখে নিতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় ল্যাপটপ ভাঁজ করে বন্ধ করার সময় ডিসপ্লে আগেই সাদা হয়ে বন্ধ হয়ে গেছে।

আবার ভাঁজ খুলতে গিয়ে দেখা যায় ডিসপ্লে সাদা হয়ে অন হচ্ছে। এমনটা হলে বুঝতে হবে সমস্যা আছে। এটিতে হয়তো মেন ডিসপ্লেতে বা রিবন এর সমস্যা থাকতে পারে।

অপারেটিং সিস্টেম লাইসেন্স থাকলে বুঝে নেওয়া :

ল্যাপটপ কেনার আগে তার অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিতে হবে। সেটি কি প্রো ভার্সন না ফ্রি ক্রাক সেটা জানতে হবে। কারণ এর মূল উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের দাম প্রায় ১০-১২ হাজার টাকা।

আর ক্রাক অপারেটিং সিস্টেমের দাম মাত্র ৪০-৫০ টাকার ডিভিডি ডিস্ক দিয়ে দেয়া হয়। যদি অপারেটিং সিস্টেম প্রো ভার্সন হয় তাহলে তার লাইসেন্স কি (Licences Key) বুঝে নিতে হবে।

প্রসেসর কি কোন জেনারেশন পরীক্ষা করা :

একটি অপারেটিং সিস্টেমের প্রোপার্টিজ দেখলে ল্যাপটপের সকল তথ্য পাওয়া যায়। এরপরও অনেক সময় এগুলো মেইন সিস্টেম থেকে পরিবর্তন করে রাখা যায়। এজন্য সম্ভব হলে (স্প্যাকি সফটওয়্যার) এই ছোট ৪ এমবির একটি সফটওয়্যার দিয়ে এসব আসল তথ্য চেক করা যায়।

স্প্যাকি সফটওয়্যার ইনস্টল করে এর কনফিগারেশন চেক করলে ল্যাপটপের ভিতরের সম্পূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। এছাড়াও অনলাইনে আরো এমন অনেক ফ্রি টুলস রয়েছে। যার সাহায্যে অনলাইনে কম্পিউটারের বিস্তারিত সব তথ্য পাওয়া যায়।

শেষ কথা :

প্রিয় পাঠক উপরোক্ত জিনিস গুলো পরিক্ষা করার পরেও যদি আপনার সন্দেহ থাকে, তাহলে ল্যাপটপের বর্তমান মালিক সহ আপনি নিজে কোন সার্ভিসিং সেন্টারে পুরাতন ল্যাপটপ নিয়ে একবার ফুল চেকআপ করে নিতে পারেন।

আর যদি পরিচিত কারোর পুরাতন ল্যাপটপ হয় তাহলে সে যদি বলে কোন প্রবলেম নেই পরবর্তীতে কোন সমস্যা হলে ফেরত নেব। তাহলে আর কিছু বলার নেই।

এরপরেও বাড়িতে গিয়ে এসব ছোট খাটো বিষয় একবার পরিক্ষা করে দেখতে পারেন। এতে এমন ছোট খাটো সকল সমস্যা খুব দ্রুত খুঁজে পেতে পারবেন। আজকের এই পোস্ট সম্পর্কে কোন প্রশ্ন বা মতামত থাকলে নিচে কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন। এতক্ষণ সঙ্গে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

Share Is Caring.. ❤️

           

আসসালামু আলাইকুম। আমি পেশায় একজন চাকুরিজীবী এবং এই ওয়েবসাইটের এডমিন। আমি ব্লগ পড়তে এবং আর্টিকেল লিখতে পছন্দ করি। অবসর সময়ে ব্লগে বিভিন্ন বিষয়ে লিখে শেয়ার করে থাকি।

Leave a Comment