গুগল থেকে ইনকাম করার সেরা ১০টি ওয়েবসাইটঃ
গুগল থেকে ইনকাম – গুগল অনলাইনে এমন কিছু উপায় রেখে দিয়েছে, যার মাধ্যমে যেকোন মানুষ নিমিষেই অনলাইনের মাধ্যমে উপার্জন করতে পারে। আমরা আজকাল দেখতে পাই বিশ্বের জনগণ দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন বিষয়ের জন্য গুগলের উপর নির্ভরশীল।
তবে, আমাদের অনেকের মধ্যে সবসময় একটি কমন প্রশ্ন থাকে। প্রশ্নটি হলো, সহজে অনলাইনে গুগল থেকে ইনকাম করা যায় কিভাবে? আপনার মনে যদি এই প্রশ্নটি জাগে তাহলে আজকের এই পোস্ট টি সম্পূর্ণ আপনার জন্য।
তবে আজ আমি আপনাদের গুগলের অফিশিয়াল কোন চাকরির কথা নয়, বরং গুগলের বিভিন্ন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস ব্যবহার করে অনলাইনে গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার সবচেয়ে সহজ উপায়গুলো বলব।
আমি এখন ধরে নিচ্ছি যে, আপনি ওই সমস্ত ব্যক্তিবর্গের মধ্যেই একজন। যারা অনলাইনে গুগল থেকে ইনকাম করার উপায় জানতে চাইছে। যারা অনলাইনে গুগুল থেকে টাকা উপার্জন করা নিয়ে খুবই ইন্টারেস্টেড।
আপনি যদি শুধুমাত্র গুগল থেকে ইনকাম করতে চান তাহলে এই পোস্ট টি সম্পূর্ণ পড়ুন। এছাড়া আপনি যদি অনলাইনে আরও অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম থেকে আয় করতে চান তাহলে নিচের পোস্টগুলো পড়ুন-
গুগোলের বিভিন্ন প্রোডাক্ট, যেমনঃ আপনারা অনেকেই ইতিমধ্যে জানেন YouTube, Google Adsense, Google Opinion Rewards, Google Play অথবা Google Admob সার্ভিস ব্যবহার করে অনেকেই আয় করছেন। দিন দিন বাংলাদেশে থেকে গুগল থেকে ইনকাম করা জনগণের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আপনারা হয়ত আরও জানেন যে এখন পর্যন্ত বিশ্বে যত জায়ান্ট টেক বা বড় ব্র্যান্ড আছে তারা সকলেই অনলাইনে ইনকাম করার জন্য সুযোগ দিয়ে থাকে। যেমনঃ Amazon, Swagbucks, Yahoo, Facebook, Likee ইত্যাদি।

সে দিক বিবেচনা করলে গুগুল যে সবসময় পিছিয়ে থাকবে, তা তো আর হয় না। আপনারা হয়ত ইতিমধ্যে এটাও জানেন যে গুগল অন্যান্যদের চেয়ে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার চান্স আরো বেশি প্রদান করে।
কিভাবে গুগল থেকে ইনকাম করব?
- ১. Google Adsense এর দ্বারা, এড পাবলিশ করে গুগল থেকে ইনকাম করার সর্বোত্তম উপায়।
- ২. YouTube ইউটিউব ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে হাজার হাজার টাকা গুগল থেকে ইনকাম করা যায়।
- ৩. Blogger/ Blogspot, অনলাইনে ব্লগিং করার একমাত্র সেরা ফ্রি প্লাটফর্ম।
- ৪. Google Ads (AdWords)
- ৫. Google Play, Paid অ্যাপ বিক্রি করার মাধ্যমে গুগল থেকে ইনকাম ।
- ৬. গুগুল কিওয়ার্ড প্ল্যানার দ্বারা গুগল থেকে ইনকাম ।
- ৭. Search Engine Optimization, এসইও করে গুগল থেকে ইনকাম ।
- ৮. Google Opinion Rewards, অনলাইনে সার্ভে পূরণ করার এক বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম।
- ৯. গুগুল পে থেকে ।
- ১০. গুগুল ম্যাপ থেকে।
গুগল থেকে ইনকাম করার ১০টি ওয়েবসাইটের তালিকাঃ
উপরোক্ত যেসব উপায়গুলো এতক্ষণ বললাম, এগুলোকে একেকটি গুগলের অনলাইন জব বলতে পারেন। যেমন গুগল এর এডসেন্স থেকে এড পাবলিশ করাকে একটা জব বলতে পারেন। অনেকেই গুগুল এর এড পাবলিশ করে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করছে।
Also Read
এমন আরো অনেক উপায় আছে, আপনি চাইলে নিমিষেই গুগুল এর এসব প্রোডাক্ট ব্যবহার করে অনলাইনে ইনকাম করতে পারেন। তার জন্য আপনাকে শুধুমাত্র আমার এই পুরো নিবন্ধটি পরে গুগল থেকে ইনকাম করার উপযুক্ত উপায়টি খুনে নিতে হবে ।
কোনটা আপনার জন্য বেস্ট? সেটা আপনাকেই বিচার করে নিতে হবে। পরবর্তীতে সেই প্লার্টফর্ম থেকে টাকা আয় করার চিন্তা-ভাবনা করতে পারেন।
আপনি যদি গুগলের যেকোন একটি প্লাটফর্মে কাজ করতে চান এবং গুগল থেকে ইনকাম করতে চান তবে পুরো এই সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়বেন আশা করি।
১) Google AdSense – এড পাবলিশ করে উপার্জন।
যদি আপনার ব্লগিং করার ইচ্ছা থাকে এবং যদি উক্ত ব্লগে গুগল এডসেন্স না থাকে তাহলে সম্পূর্ণ ব্লগটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। Google Adsense গুগলের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। অনলাইন দুনিয়ার অনেকাংশই উপার্জন আসে এই এডসেন্সের মাধ্যমে।
গুগল এডসেন্স মূলত গুগুল এড পাবলিশারদেরকে তাদের ওয়েবসাইট কিংবা তাদের নিজস্ব ইউটিউব ভিডিওতে এড পাবলিশ করার জন্য বলে থাকে।
যদি কোনভাবে একবার গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে ভাল রেভিনিউ অর্জন করা শুরু করতে পারেন। তাহলে আস্তে আস্তে সেটা আপনার একটি প্যাসিভ ইনকাম সোর্স এ পরিণত হতে থাকবে।
এখন আমরা জানব গুগুল এডসেন্স আসলে কি কাজ করে?
আপনার অনেকেই হয়ত অবাক হয়ে যাচ্ছেন গুগল এডসেন্স এর ব্যাপারে। এটাই স্বাভাবিক। কারণ গুগুলের এড আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইটে পাবলিশিং হচ্ছে। সেই পাবলিশ করা এড দেখিয়ে ওয়েবসাইট মাস্টাররা রেভিনিউ পাচ্ছে। আসলে এখানে হচ্ছেটা কি?
বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানি ও ন্যাটিভ কোম্পানি গুগল এডসেন্সে যে এড শো করানোর জন্য বলে, তা-ই আমাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা হয়। আর ঐসমস্ত কোম্পানির গুলো আগে থেকেই এড শো করার জন্য গুগল এড ওয়ার্ডে টাকা ইনভেস্ট করেছে।
এই এড পাবলিশ করার পর যে টাকা উপার্জন হয় তার ৩৫% কিংবা এর অধিক গুগুল নিজে নেয়। আর বাকীটা এড পাবলিসাররা পায়।
প্রতিবছর গুগোল তার নিজস্ব এডসেন্সের মাধ্যমে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পেমেন্ট করে। যেকোনো ওয়েবসাইটের উপার্জনের অন্যতম অংশই আসে বিভিন্ন এডভার্টাইসিং দ্বারা।
আর ওয়েবসাইটের এই এডভারটাইজিং পরিপূর্ণ করে থাকে গুগল এডসেন্স। ধরুন, আপনার একটা ওয়েবসাইট আছে এবং সেটি খুব পপুলার। বিভিন্ন টুরিস্ট স্পট এর রিভিউ করে তৈরি করা।
এর মানে হলো এটি একটি ট্রাভেলিং ব্লগ। এডসেন্স তখন অবশ্যই অনেক চিন্তাভাবনা করে আপনার সাইটে এড প্রদর্শন করাবে। গুগলের মাধ্যমে ইনকাম করার একটি দুর্দান্ত মাধ্যম হলো গুগুল এডসেন্স।
আপনারা হয়ত আরও জানেন গুগল এডসেন্স দ্বারা ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন করানো যায়। আপনি যদি ইতিমধ্যে নিয়মিত ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে থাকেন, তবে আপনার চ্যানেলটিও গুগল এডসেন্স একাউন্ট এর সাথে যোগ করতে পারেন।
গুগল এডসেন্স একাউন্ট সক্রিয় করার জন্য গুগুল এর কিছু রিকোয়ারমেন্ট আছে। সেগুলো খুব সহজে ফিলাপ করে নেয়া যায়। এবং গুগুল অ্যাডসেন্সের অ্যাপ্রভালও পাওয়া যায়।
গুগল এডসেন্স দ্বারা ব্লগারে বা ওয়েবসাইটে এপ্রুভাল পেতে তেমন কোনো রিকোয়ারমেন্ট নেই। শুধুমাত্র বেশ কিছু কন্ডিশন আর গুগুলের কিছু পলিসি মেনে চললেই হলো। যেগুলো সাধারণত গুগোল অ্যাডসেন্স পলিসি নামেই বেশ পরিচত।
কিন্তু ইউটিউবের ব্যাপারটা আলাদা এখানে আপনাকে এডসেন্স মনিটাইজেশন পেতে কম করে হলেও 4000 ঘন্টা ওয়াচ টাইম হতে হবে এবং 1000 সাবস্ক্রাইবার অর্জন করতে হবে।
ব্লগ বা ওয়েবসাইট গুলোতে শুধুমাত্র ১০ থেকে ১২ টি দুই হাজার ওয়ার্ডের ওপরে কন্টেন্ট লিখে মনিটাইজেশন পাওয়া যাবে। এছাড়াও একটি মানসম্মত ব্লগ সাইট হতে হবে। আর এখানেও কপিরাইট কন্টেন্ট ও ইমেজ ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ।
আর একটা বিষয় আপনাদের বলে রাখি বাংলা ব্লগ সাইটগুলোতে গুগল এডসেন্স থেকে মোটামুটি প্রতি ১০০০ পেজভিউতে সর্বনিম্ন ৩ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ১৫ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায়।
তেমনিভাবে ইউটিউবে প্রতি ১০০০ ভিউতে সর্বনিম্ন ২ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ১২ ডলার পর্যন্ত আয় করে নেয়া যায়।
উদাহরণঃ-
আপনার ব্লগ সাইটটি ওয়ার্ডপ্রেস ডটকম সাইটে তৈরি করা। ওয়ার্ডপ্রেসে WordAds নামক ফিচার আছে। ওয়ার্ডপ্রেস সাইটগুলোতে চাইলে ওয়ার্ডএডস ব্যবহার করা সম্ভব।
এছাড়াও আপনি যদি wordpress.org সাইটে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করেন। তাহলে সেখানে আপনি খুব সহজেই গুগল অ্যাডসেন্স মনিটাইজ পাবেন। কারণ গুগল নিজেই সেখানে প্রেফার করে থাকে এবং খুব ভালো পরিমাণে ইনকামও হয়।
নতুন অবস্থায় ব্লগিং শুরু করে যদি কেউ গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে তবে তার কাছে শুরুতেই ভালো ইনকাম আসাটা জটিল বলে মনে হয়। একটা সময় পর ধীরে ধীরে উপার্জনও দ্রুত বাড়তে থাকে।
গুগল এডসেন্স আসলে অ্যাড পাবলিশিং করার জন্য আপনাকে টাকা দেয়। আপনার পাবলিশিং Strategy and Optimization এর উপর ভিত্তি করে ইনকাম দুইগুণ কিংবা তিনগুণ হয়ে যেতে পারে।
গুগল এডসেন্স এর ওপর নির্ভরশীল না হয়ে এর পাশাপাশি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, কিংবা স্পন্সর পোস্ট করে অতিরিক্ত সুবিধা নিতে পারেন। শুরুর দিকে কিংবা বলা যায় বিগিনার লেভেল থেকে যদি এডসেন্স নিয়ে কাজ করেন, তবে নির্ঘাত আপনার উপার্জন কমই হবে এটাই স্বাভাবিক।
তখন একবারে হাল ছেড়ে দিলে হবে না। তবে আমি মনে করি আপনি যদি হাল ছেড়ে না দিয়ে ধরে থাকেন তবে তা থেকে আপনি ভালো উপার্জন করতে পারবেন। গুগল এডসেন্স ওয়েবসাইট লিংক
২) YouTube – সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মঃ
আপনারা সবাই জানেন যে ইউটিউব হচ্ছে বিশ্বের একটি জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। এককথায় বলতে হলে এই পুরো ইন্টারনেট দুনিয়ার মধ্যে ভিডিও শেয়ার করার যত প্ল্যাটফর্ম আছে তার মধ্যে সবার প্রথম স্থানে রাখা হবে ইউটিউবকে।
আপনারা হয়ত ইতিমধ্যে এটাও জানেন ইউটিউব থেকেও উপার্জন করা যায় কারণ দিন যত যাচ্ছে এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। তাই আপনার যদি উপার্জন করার ইচ্ছা থাকে তাহলে কেনবা যুক্ত হচ্ছেন না এই প্ল্যাটফর্মে? এবং আপনার উপার্জন শুরু করছেন না?
এখন সময় এসেছে আপনার এই প্লাটফর্মের সুবিধাটি অতি সত্তর কাজে লাগানো উচিত। একজন সফল ইউটিবার হতে হলে ইউটিউব সম্বন্ধে ভালোমতো কোর্স সম্পন্ন করে নিলেই হবে।
ইউটিউবার হতে হলে সবার আগে একটি নিশ বা ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে নিতে হবে তারপর সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে এবং নিয়মিত ভিডিও আপলোড করে যেতে হবে।
আপনি চাইলে ব্যাসিক কিছু ধাপ পূরণ করে একজন ইউটিউবার হতে পারেন। ধাপগুলো আমি এখন বলে দিচ্ছি।
- ধাপ ১ঃ সবার প্রথম নির্দিষ্ট ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে একটা আকর্ষণীয় নাম দিয়ে নিজের একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করুন।
- ধাপ ২ঃ ওই ক্যাটাগরির ওপর ভিত্তি করে কিছু ভালো ভিডিও তৈরি করুন। এক্ষেত্রে আপনি চাইলে ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারেন। যেকোন ওয়েব ক্যামেরা অথবা স্ক্রিন রেকর্ডিং করেও ভিডিও আপলোড করতে পারেন।
- ধাপ ৩ঃ ভিডিওগুলো এডিট করে কিছু প্রফেশনাল লুক দিয়ে তারপর আপলোড করুন।
- ধাপ ৪ঃ একই পদ্ধতি অনুসরণ করে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করতে থাকুন। যতক্ষণ পর্যন্ত না ১০০০ সাবস্ক্রাইবার অর্জন করে নিচ্ছেন। যদি ১০০০ সাবস্ক্রাইবার ও ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম অর্জন করে নিতে পারেন।
তবে একটা ধরে নেয়া যায়, আপনি এডসেন্স মনিটাইজেশন পাবেন। এবং অনুমান করা যায় প্রতিদিন আপনার চ্যানেলটিতে ১০০ এর বেশি ভিজিটর আসা যাওয়া করবে।
আপনার মনে রাখা উচিত, প্রথম দিকের ভিডিওর ডিউরেশনগুলো ২০ মিনিটের বেশি রাখা উচিত। যাতে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার এর সাথে 4000 ঘন্টা ওয়াচ টাইম মিশন কমপ্লিট করা যায়।
আপনার এসব শর্ত পূরণ হয়ে গেলে তারপর আপনি গুগল এডসেন্স মনিটাইজেশন আবেদন করতে পারেন। এবং একবার এডসেন্স এপ্রুভাল মিলে গেলে আপনি শুধু নিয়মিত ভিডিও আপলোড দিতে থাকুন।
একবার যদি কোন ভিডিও একবার আপনার চ্যানেল থেকে ভাইরাল হয়ে যায় তাহলে আপনি পরবর্তীতে স্পন্সর্ড কন্টেন্ট তৈরি করে ইউটিউব থেকে দ্বিগুন কিংবা তিনগুণ টাকা ইনকাম করে নিতে পারবেন।
আমি আগেই আপনাকে একটু বলে রাখি ভিডিও এসইও নামক একটি জিনিস আছে। এসইও হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। আপনারা হয়ত জানেন যে গুগলের পর পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম সার্চ ইঞ্জিন হলো ইউটিউব।
ইউটিউবে ভিডিও রিলেটেড সার্চ হয়ে থাকে।
আপনি শুরুতেই যদি ইউটিউব ভিডিও এসইও না শিখেন, তাহলে আপনি এব্যাপারে কিছুই বুঝবেন না। আপনি যদি ভিডিও এসইও না করান তাহলে আপনি ভিডিওতে অর্গানিক্যালি ট্রাফিক পাবেন না। ইউটিউব লিংক
৩) Google Blogger/Blogspot
আমরা সবাই জানি যে ব্লগার বা ব্লগস্পট ডটকম হলো গুগুলের একটি ফ্রি অফিশিয়াল প্লাটফর্ম। অনেক ব্লগার আছে যারা নতুন ব্লগিং শুরু করার জন্য ব্লগার বা ব্লগস্পটকেই বেছে নেয়।
সাধারণত যারা ব্লগ করেন তাদের ইনকাম মাসে সর্বনিম্ন ১০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত হয়। বিশ্বে এমন অনেক ব্লগার আছেন যারা এক মাসে ব্লগ করে এক লক্ষ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করে থাকে।
ব্লগার বা ব্লগস্পট ডটকম থেকে অনেক সহজেই ব্লগিং করা যায়। যারা প্রফেশনাল ব্লগার তারা হয়ত একটা সময় জুমলা কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসের মতো ব্লগিং প্লাটফর্মে চলে যায়।
কারণ ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগারদের এক বিশেষ স্বাধীনতা থাকে। আপনার নিজস্ব একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকবে এবং সেটিতে সম্পূর্ণ আপনার কন্ট্রোল থাকবে। আর কেউ সেটাতে কন্ট্রোল করতে পারবে না ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে এমন একটি প্লার্টফর্ম।
অন্যদিকে গুগুলের ব্লগার বা ব্লগস্পট হচ্ছে সম্পূর্ণ উল্টো। যেহেতু ব্লগার বা ব্লগস্পট গুগলের একটি প্রোডাক্ট তাই ব্লগার দ্বারা তৈরি বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবসাইট গুগলের নিয়ন্ত্রণে থাকে।
গুগোল ব্লগারের সবচেয়ে সুবিধা হলো, এখানে আপনি একদম ফ্রিতে ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারবেন এজন্য আপনাকে কোন টাকা খরচ করতে হবে না। এটি ব্যবহার করাও খুবই সহজ।
আপনি এখানে যেকোনো টেম্পলেট বা থিম ইন্সটল করে তারপর সেটি কাস্টমাইজ করে এক প্রফেশনাল লুক দিতে পারেন। এছাড়া বড় সুবিধা হল এই গুগোল ব্লগারে ফ্রি হোস্টিং পাওয়া যায়। শুরু থেকেই ওরা আপনাকে একটি সাবডোমেইন দিয়ে দিবে।
পরবর্তী যেকোনো সময় সেই সাবডোমেন না নিয়ে একটি কাস্টম ডোমেইন আপনার ব্লগে এড করতে পারেন। মনে রাখবেন সেটা অবশ্যই কাস্টম টপ লেভেল ডোমেইন হতে হবে। যেমনঃ .Com, .org, .co, .info, .xyz নিলে সেটা আপনার ব্লগের জন্য বেশ উপকারে আসবে।
গুগল ব্লগার ডটকম থেকে খুব সহজেই এডসেন্স এর মনিটাইজ এপ্রুভ পাওয়া যায়। আপনি যদি গুগুল এডসেন্স এর মাধ্যমে ব্লগার বা ব্লগস্পট থেকে ইনকাম করতে চান তাহলেও আপনার যথেষ্ট পরিমাণে উপার্জন হবে।
কিভাবে গুগল ব্লগারে একটি ফ্রি ব্লগ সাইট তৈরি করবেন?
ফ্রিতে ব্লগ সাইট করার জন্য আপনি ‘গুগল ব্লগার’ www.blogger.com অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে চলে যান। সেখানে গিয়ে ‘Create A New Blog’ অপশনে ক্লিক করুন। তারপর সেখানে আপনার ইমেইল জানতে চাইবে।
আপনি আপনার নিজস্ব জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে Sign In করতে পারেন। নিজের জিমেইল একাউন্ট দিয়ে Sign In করার পর সেখানে আপনাকে নিজের Blog Name দিতে বলবে। তারপর একটি ডোমেইন সিলেক্ট করতে হবে। আগেই বলে রাখি যে ব্লগ নেম দিবেন সেটি অবশ্যই ইউনিক হতে হবে।
এইত এতুটুকু কাজেই আপনার ব্লগ তৈরি করার ধাপ। এরপর পরবর্তীতে আপনাকে থিম ইন্সটল করে সেই থিম কাস্টমাইজেশন করতে হবে। সেগুলো করার জন্য আপনি একটি ইউটিউব থেকে ফ্রি টিউটোরিয়াল দেখে নিলেই বাকিটা নিজে নিজে করতে পারবেন।
মনে রাখবেন একটি ব্লগার বা ওয়েবসাইটের প্রাণ হলো কনটেন্ট। আপনি যত বেশি কনটেন্ট পাবলিশ করবেন, আপনার গুগুল র্যাংকিং ও স্ট্যাটিজি দিন দিন ততই বাড়তে থাকবে।
এতে ধীরে ধীরে আপনার নিজের তৈরি করা ব্লগে বেশি বেশি ভিজিটর পাবেন। সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটটি একদম টপে থাকবে। ব্লগস্পট লিংক
৪) Google Ads (AdWords)
অনেকেই হয়ত মনে মনে এখন ভাবছেন যে, গুগল এডসেন্স দ্বারা যে উপার্জন করা যায় এটা বুঝতে পারলাম। কারণ গুগুল এডসেন্স ব্লগে এড প্রদর্শন করতে দেয়।
আর সেই এড প্রদর্শনীতে ক্লিক করলে বা ভিউ করলে, সেখান থেকে টাকা উপার্জন করা যায়। কিন্তু এবার একটু ভাবুন এই Google Ads এ তো কেউ ঐ এড সাবমিট করবে যা আপনার ব্লগে দেখাবে।
সহজ কথায় বলতে গেলে বলতে হবে যদি আপনি আপনার ব্লগ কিংবা প্রডাক্ট প্রমোশন করাতে চান তার জন্য Google Ads এ নিজের বানানো অ্যাড সাবমিট করতে পারেন।
এর মানে এই না, সেখান থেকে আপনি এডসেন্স এর মত ডিরেক্টলি কোন ইনকাম পাবেন। উল্টো দেখা যায় যে গুগুল আপনাকে আরো বেশি টাকা বিনিয়োগ করতে বলবে, নিজের ব্লগ, ওয়েবসাইট অথবা প্রোডাক্টকে প্রমোট করার জন্য। এখন হয়ত ভাবছেন তাহলে গুগল থেকে ইনকাম আসে কিভাবে?
একটু মনযোগ দিয়ে ভাবলে ওখানেই আসল উত্তর পাওয়া যায়। আপনি হয়ত ডিরেক্টলি গুগল থেকে ইনকাম করতে পারছেন না। এখন আপনাকে একটু পরোক্ষভাবে ভাবতে হবে।
দেখুন, আপনি হয়তো আপনার ব্লগ বা যেকোনো প্রোডাক্টের প্রমোট করার জন্য গুগোল এডওয়ার্ডে নিজের দ্বারা তৈরি করা এড সাবমিট করছেন। যাতে আপনার প্রোডাক্টটি প্রমোট হয় সাথে বিজ্ঞাপনের কাজও হয়।
আপনি হয়ত ভাবছেন গুগুল এডওয়ার্ডে আপনার প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন দিলে কি লাভ? আমরা জানি যে, গুগোল হল খুব ভালো একটা অপ্টিমাইজড ওয়েবসাইট।
গুগুল জানে একটি এড কিভাবে অপটিমাইজড করে ভিজিটিরদেরকে দেখাতে হবে। গুগল চায় এই বিজ্ঞাপন দেখিয়ে যাতে করে আপনার ওয়েবসাইটটি কিংবা আপনার প্রোডাক্ট এর অথবা আপনার কোম্পানির উপকার হয়।
যদি আপনি Google Ads এ কোন কিছু প্রমোট করেন, তাহলে সেখান থেকেও ভাল কমিশন পাওয়া যায়। যেমন ধরুন আপনার যদি কোন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান থাকে তাহলে আপনি ঐ ই-কমার্স সাইটের এড Google Adwords এ প্রমোট করতে দেন, তাহলে আপনার পণ্য বিক্রয়ের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে।
এভাবেই মূলত এই গুগল এডওয়ার্ডস এড অপটিমাইজড করে Google Ads আপনার উপকার করে। এবং ইনডাইরেক্টলি আপনার আয়ের পরিমাণ বাড়ায়।
কিভাবে Google Ads দ্বারা ইনকাম বাড়বে?
ধরুন আপনি গুগল এডওয়ার্ড দ্বারা আপনার ওয়েবসাইট কিংবা প্রোডাক্টের এড দিলেন। এখন গুগুল এডস তাদের এডসেন্স এর মাধ্যমে অন্যের ওয়েবসাইটে আপনার এড দেখাবে এবং এই এডটি তাদের কাছেই শো হবে যারা মূলত আপনার ঐ প্রোডাক্ট কিংবা আপনার ঐ ওয়েবসাইটটি খুজছে।
এরপর ওই সব ব্যক্তিরাই আপনার এডে ক্লিক করবে। এডে ক্লিক করার অর্থ হলো যে, সে অবশ্যই আপনার প্রোডাক্ট এর প্রতি ইন্টারেস্টেড হয়েছে। এভাবেই আপনার বিক্রি বাড়বে।
৫) Google Play Store – অ্যাপ্লিকেশন সাবমিট করে বিক্রয়।
Google Play Store অ্যাপ্লিকেশনটি বেশ জনপ্রিয়। এখানে বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন পাওয়া যায়। অ্যাপ্লিকেশন এর ওপর যদি আপনার ভালো ধারনা থাকে। অথবা আপনি যদি গেমিং অথবা ফানি অ্যাপ তৈরি করতে চান।
তাহলে সেটি গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে শেয়ার করে উপার্জন করতে পারেন। গুগল প্লে স্টোরে যদি আপনি কোন অ্যাপ সাবমিট বা শেয়ার করতে চান, তবে এর জন্য আপনাকে পে করতে হবে।
পে করার পর সেই অ্যাপ্লিকেশনে আপনি চাইলে গুগোল অ্যাপ মনিটাইজেশন প্লাটফর্ম Google Admob ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
যদি গুগুল প্লে স্টোরে আপনার তৈরি এপ জায়গা পায় তাহলে আপনাকে আর চিন্তা করতে হবে না। তারপর আপনার এপটিকে যত বেশি মানুষ ইউজ করবে এবং ডাউনলোডস যত বেশি হবে তত বেশি উপার্জন করতে পারবেন।
Google Play Store এ এপ আপলোড করার প্রক্রিয়াঃ
প্রথমেই গুগুল প্লে স্টোরে গিয়ে Wallet Merchant Account তৈরি করে নিন। তারপর Sign In করুন। তারপর আপনি ‘financial reports’ নামক অপশনটিতে Click করুন। তারপর ‘set up a new merchant account now’ অপশনে Click করুন। এবার আপনার নির্দিষ্ট এপটি Upload করুন। এবং এপটি Sell করাও Start করে দিন।
যখন গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপ্লিকেশন আপলোড দিবেন তখন এপটির একটি প্রাইস নির্ধারণ করে দিবেন। আপনার অ্যাপ্লিকেশনটি অবশ্যই পেইড অ্যাপ্লিকেশন হতে হবে। তাহলে আপনি অ্যাপ্লিকেশন সেল করে ইনকাম করতে পারবেন।
যদি প্লে স্টোরে পেইড অ্যাপ সাবমিট হয় আর সেই সাথে যদি ভালো ফিচার যুক্ত হয়। তাহলে অবশ্যই ভিজিটর আসবে এবং আপনার ঐ এপটি ক্রয় করে নেবে। এখানে যত বেশি ইউজার আপনার অ্যাপ্লিকেশন ক্রয় করবে, আপনার মার্চেন্ট একাউন্টে ততো বেশি ডলার জমতে থাকবে।
যদি আপনার অ্যাপটি Paid Apps হয়। তাহলে অবশ্যই মনে রাখবেন Paid Apps কে কখনো Free Apps এ পরিণত করতে পারবেন না। একইভাবে Free Apps কে কখনো Paid Apps এ পরিণত করতে পারবেন না।
যখন আপনি প্লে স্টোরে আপনার এপটি আপলোড করবেন, তখনই ঠিক করে দিতে হবে, এই অ্যাপ্লিকেশনটি পেইড হবে নাকি ফ্রি হবে?
৬) Google Keyword Planner
সারা বিশ্বে প্রতিদিন গুগোলের সার্চ ইঞ্জিনে অনেক বেশি ওয়ার্ড সার্চ করা হয়। সেগুলোর ডাটা কালেক্ট করা খুবই কষ্টসাধ্য। অনলাইনে সারা বিশ্বে যে সমস্ত ওয়ার্ড সার্চ করা হয়, সেগুলো গুগুল keyword Planner এর মতো প্লার্টফর্মে এনালাইজড করা থাকে।
ইন্টারনেটে একটা ওয়ার্ড ঠিক কতবার সার্চ করা হয় সেটি গুগল কিওয়ার্ড প্ল্যানারে সংগ্রহ করা থাকে। এর মাধ্যমে যারা ইউটিউবার, ব্লগার কিংবা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার তাদের জন্য অনেক উপকারী। এবং বলতে পারেন এটি একটি ইনকাম সোর্স হিসেবে কাজ করে।
কারণ এই কিওয়ার্ড প্ল্যানার আপনাকে উপযুক্ত তথ্য দিচ্ছে। ইন্টারনেট দুনিয়ায় কোন শব্দটি ঠিক কতবার সার্চ হচ্ছে এবং ঐ ওয়ার্ডটির ভলিয়ম কত?
এর দ্বারা যারা একটি প্রোডাক্ট মার্কেটিং করতে চায় তারা বেশ উপকৃত হয়। এবং তাদের উপার্জনের কিছু অংশ এই Google Keyword Planner এর সঠিক তথ্যের ওপরই নির্ভর করছে।
Keyword Planner এর সকল সুবিধাসমূহঃ
Google Keyword Planner এর কিছু ফিচার জেনে নিলে, আপনারা হয়ত একটু ভালো করে বুঝবেন।
- Google Keyword Planner এ Search For Trends থেকে Best Keyword গুলো বের করা যায়।
বিখ্যাত সব সার্চের Historical Data Collect করে রাখা যায়। - নতুন নতুন Keyword বের করে নেয়া যায়। এছাড়াও কোন ক্যাটাগরিতে কি Related Word Search হয়েছে সেগুলোও বের করা যায়।
- সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এখানে লোকেশন অথবা ভাষা স্পেসিফিক রেজাল্ট পাওয়া যায়।
৭) Search Engine Optimization
আপনি হয়ত জানেন না যে, গুগলের সার্চ ইঞ্জিনে একটি আর্টিকেল কিংবা কন্টেন্ট র্যাংক করানোর জন্য একজন এসইও এক্সপার্টকে কত ডলার পে করা হয়? এটা জানলে হয়ত আপনার চোখ লাফ দিয়ে কপালে উঠবে। একজন এসইও এক্সপার্ট এর মাসিক বেতন ৩৫,০০০ ডলার।
এখন আপনি হয়ত বলছেন যে, আমি চাপা মারছি আপনাদের কাছে ! আপনাদের এ নিয়ে সন্দেহ থাকলে আপনারা এ নিয়ে আরও বেশি রিসার্চ করে দেখতে পারেন।
এবার হয়ত আপনার মনে প্রশ্ন জাগছে, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করে গুগল থেকে উপার্জন কিভাবে হয়? এটি আসলে গুগলের কোন জব নয়। উল্লেখ্য এসইও এক্সপার্টরা ইনডিরেক্টলি গুগলকেই ভোগ্যপণ্য ব্যবহার করে জীবন চালাচ্ছে।
একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এক্সপার্ট কোন একটি আর্টিকেল, ভিডিও কিংবা কনটেন্ট বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে র্যাংক করায়।
আবারও বলি, সার্চ ইঞ্জিন এভুলেটরের ইনকাম প্রতি ঘন্টায় ১২ ডলার। এই পেমেন্ট তার নিজস্ব কাজ করার দক্ষতার উপর নির্ভর করে থাকে। এর পেমেন্ট আরও অনেক বেশিও হতে পারে আবার কমও হতে পারে। সেটা তার নিজের কাজের দক্ষতার ওপরই সম্পূর্ণ নির্ভরশীল।
৮) Google Opinion Rewards
গুগোলের সেরা একটি অ্যাপ্লিকেশন হলো Google Opinion Rewards. কিন্তু দুঃখের বিষয় হল এই অ্যাপ্লিকেশনটি বাংলাদেশ এবং ভারত এই দুই অঞ্চলের কোন অঞ্চলেই ব্যবহার করা যায় না।
এই অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করতে চাইলে আপনাকে একটি আমেরিকান অথবা কানাডার সার্ভার দ্বারা তৈরি ইমেইল ব্যবহার করতে হবে। বাংলাদেশ থেকে ব্যবহার করতে হলে ভিপিএন ব্যবহার করে একটি Gmail Account তৈরি করে নিবেন। অবশ্যই মনে রাখবেন ভিপিএন টি আমেরিকান কোন সার্ভারে কানেক্ট করা হতে হবে।
ওই Gmail Account ব্যবহার করে চাইলে আপনি Google Opinion Reward Apps ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার জরিপ পূরণ করার জন্য আর কোনো বাঁধা পড়বে না। এই এপসে প্রতিটি জরিপ পূরণের জন্য আপনি ০.২৫- ০৫ ডলার পর্যন্ত পাবেন। মাসে ০৪- ০৫ বার জরিপ পূরণ করা যায়।
এখানে আপনি কিছু সাধারণ প্রশ্ন এবং উত্তর দিয়ে ডলার উপার্জন করতে পারবেন। এবং সেই উপার্জন নিজের একাউন্টে রেখে দিতে পারবেন। যেটা পরবর্তীতে আপনার গুগল প্লে ব্যালেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।
এই অ্যাপ্লিকেশনটি গুগলের অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম এর মধ্যে অন্যতম। তবে এই প্লার্টফর্মে কাজ করে আপনি যথেষ্ট আয় করতে পারবেন না। কিছু নামমাত্র আয় হবে। যেটা আপনি বিভিন্ন বোনাস হিসেবে ইউজ করতে পারবেন।
Google Opinion Rewards কিভাবে কাজ করে?
প্রথমে এই অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে ওপেন করুন। সাইন আপ করার জন্য আপনাকে কিছু পার্সোনাল ডিটেইলস দিয়ে সাইন আপ করতে হবে।
মানে গুগুলের কাছে আপনার (পার্সোনাল) ব্যক্তিগত পরিচয় প্রদান করতে হবে। যেমনঃ নাম, ঠিকানা, বয়স, ইমেইল, পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন আপ করে কাজ শুরু করতে পারেন।
এটি আপনাকে প্রতি সপ্তাহের শেষে কিছু জরিপ (সার্ভে) পূরণ করার সুযোগ দিবে। এই জন্য এই অ্যাপসটি মোবাইলে সবসময় ইন্সটল করে রাখে দিবেন।
অ্যাপ্লিকেশনটি আপনার জিপিএস বা লোকেশন ট্র্যাক করতে পারে। এছাড়া কোন জরিপ থাকলে এই অ্যাপসটি থেকে প্রতি সপ্তাহে একটি নোটিফিকেশন পাবেন।
এই ডলার আপনি চাইলে খুব সহজেই গুগল প্লে ব্যালেন্স অথবা পেপালের মাধ্যমে এক্সচেঞ্জ করে নিতে পারবেন যেকোনো সময়।
৯) Google Pay
গুগল থেকে ইনকাম করার জন্য এটি আসলে এক পরোক্ষ পদ্ধতি বা ইনডাইরেক্ট পদ্ধতি বলতে পারেন। এর মানে হল আপনি যদি ডলার আদান-প্রদান অথবা ক্লায়েন্টের পেমেন্ট করেন।
তাহলে পেমেন্ট কমপ্লিট করার পর সেখান থেকে কিছু কমিশন পাবেন। এই উপায় অবলম্বন করে গুগুল থেকে টাকা উপার্জন করতে পারেন।
প্রথম অবস্থায় কমিশন খুব কম হলেও, ধীরে ধীরে যত বেশি পেমেন্ট করবেন তত বেশি কমিশন পাবেন। Google Payment Method পেপালের মতোই বর্তমানে গুগুলের সবজায়গায় ব্যবহার হয়। এখানে সুবিধা এতটুকুই, আপনি যেকোনো লেনদেন করার পর বিশেষ কমিশন পাবেন।
ধরুন, অনলাইনে যেকোন স্টোর থেকে কোন কিছু ক্রয় করলেন, অথবা YouTube Video Google Adwords এ প্রমোট করছেন। তেমনিভাবে Google Ads এ এড পরিচালনা, এসব ব্যাপারে Google Pay Payment Methods বেশ কাজে আসে।
আপনি বাংলাদেশ থেকে গুগোল এডোয়ার্ড পরিচালনা কিংবা ইউটিউব ভিডিও বুস্ট করার মত কাজ করতে চাইলে গুগোল পে ব্যবহার করতে পারবেন
১০) গুগল থেকে ইনকাম- Google Maps
গুগল ম্যাপস সম্পর্কে আমরা কমবেশি সবাই জানি যে এটি একটি অসাধারন ফিচার। সঠিক জায়গা খুঁজে পাওয়ার জন্য, গুগল ম্যাপস অনেকের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
গুগুল ম্যাপসের সম্পূর্ণ ট্রাকিং সিস্টেম আছে। বাংলাদেশের মধ্যে বহু চিপা চাপা লোকেশনে যাওয়া-আসার জন্য গুগল ম্যাপ ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ ঢাকা শহরের অলিগলির সংখ্যা অত্যাধিক পরিমাণে।
অনেক রিকশাওয়ালা রয়েছেন তারা পর্যন্ত ঐসব জায়গা চিনতে পারেনা। তাদেরকে রাস্তা দেখিয়ে দিতে হয়। এজন্য অনেকের কাছে গুগল ম্যাপ অনেক বেশী জনপ্রিয় হয়ে ওঠছে।
গুগল ম্যাপ থেকে কিভাবে আয় করব?
আপনি চাইলে খুব সহজেই খুব বেশি কষ্ট না করে গুগল ম্যাপ থেকে উপার্জন করতে পারেন। এজন্য আপনাকে খুব বেশি কষ্ট করতে হবেনা। যেমনঃ
১) কোন একটি জায়গার রিভিউ দিন
যেখানে আপনি গিয়েছেন সেসব জায়গার রিভিউ দিন গুগুল ম্যাপের মধ্যে। আপনার এসব ফিডব্যাক গুগলের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এমন সব জায়গার রিভিউ করার মাধ্যমে কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই, আপনি কার্যকরী উপায়ে গুগুল ম্যাপ থেকে উপার্জন করতে পারেন।
২) কোন জায়গার লোকেশন এর ফটো পোস্ট করুন।
টাকা উপার্জন করার জন্য এই উপায়টি ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যে লোকেশনে যাননা কেন, সেখানকার ফটো তুলে সেই ফটো গুগল ম্যাপে পোস্ট করে দিতে পারেন।
এতে আপনার ওয়ালেটে কিছু টাকা যোগ হয়ে যাবে। আপনার তোলা ছবি গুলো যদি আপনার ভ্রমণ করার জায়গায় সাথে মিল থাকে, সেগুলোর নাম উল্লেখ করে গুগুল ম্যাপে আপলোড করতে পারেন। এ পক্রিয়ার মাধ্যমে গুগল ম্যাপের ওয়ালেটে আপনার টাকা উপার্জন হয়।
৩) কোন জায়গা এর লোকেশন এডিট করুন, অথবা যোগ করুন।
সারা বিশ্বে এমন অসংখ্য জায়গা রয়েছে, যা গুগল ম্যাপে একটু আধটু ত্রুটি বা ভুল রয়েছে। আপনি সারা বিশ্বের যত জায়গা বা স্থান রয়েছে সেগুলোর সঠিক জায়গা এডিট করতে পারেন।
ঠিক একইভাবে নতুন স্থান যোগ করতে পারেন। এই পক্রিয়ার মাধ্যমে গুগল ম্যাপ থেকে উপার্জন করা যায়। আপনার এ সামান্য কাজের জন্য, গুগল নিজে আপনাকে পেমেন্ট করবে।
আপনি গুগল ম্যাপের বিভিন্ন স্থান সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিয়ে গুগুলের ফিচারকে উন্নত করতে সাহায্য করছেন। ঠিক একারণে গুগল আপনাকে পেমেন্ট করবে।
শেষকথাঃ
আজকে আমরা এই নিবন্ধে গুগল থেকে ইনকাম করার উপায়গুলো আলোচনা করলাম। এখানে গুগোল একটি প্ল্যাটফর্ম।
এই গুগল থেকে ইনকাম করার অনেক পথ আছে। কিন্তু আমি আজ আপনাদের মাত্র ১০ টি উপায়ের কথা বললাম। বাংলাদেশ থেকে কিছু সংখ্যক লোক বিভিন্ন সেক্টরে গুগলে সরাসরি চাকরি করার সুযোগ পায়।
কিন্তু আজকের এই নিবন্ধে দেখানো পথ গুলো হল শুধুমাত্র গুগলের প্লাটফর্মে কাজ করা, কোন চাকরি না। এসব প্লার্টফর্মে আপনি নিজের মেধা দিয়ে কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এতে কোন ধরাবাঁধা নিয়ম প্রচলিত নেই।
যদি আজকের এই পোস্টটি ভালো লাগে, তাহলে অবশ্যই শেয়ার করবেন। আর এমন সব প্রযুক্তি বিষয় জানতে প্রতিদিন এই ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন।



Remarkable! Its in fact remarkable post, I have got much clear idea regarding
from this post.