ফ্রি ব্লগ থেকে আয় কিভাবে করা যায়?

5/5 - (2 votes)

কিভাবে ফ্রি ব্লগ থেকে আয় করব? বর্তমান সময়ে অনলাইনে ব্লগিং করে বিভিন্ন উপায়ে উপার্জন করা যায়। আজকের এই আর্টিকেলের বিষয়বস্তুঃ ফ্রিতে ব্লগ থেকে আয় করার উপায়গুলো কি এবং এবিষয়টি আজ সম্পূর্ণ খুলে বলার চেষ্টা করব।

কিভাবে ফ্রিতে বাংলা ব্লগ থেকে আয় করা যায়?

বাংলা ব্লগ থেকে আয় করার সবচেয়ে প্রধান যে উপায় রয়েছে তাহলো ওয়েবসাইট মনিটাইজেশন। বেশ কিছু বছর হল গুগুল এডসেন্স বাংলা ব্লগ ওয়েবসাইটে মনিটাইজেশন চালু করেছে।

অর্থাৎ আপনি যদি বাংলাতে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেন এবং নিয়মিত সেই ব্লগে লেখালেখি করেন। তবে যদি আপনার আর্টিকেল ভালো হয় তাহলে গুগল এডসেন্স আপনাকে এপ্রুভাল দিবে।আর তখন আপনি গুগুল এডসেন্স থেকে সরাসরি আপনার ব্লগে এড প্রদর্শন করিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

বর্তমান সময়ে বাংলা ওয়েবসাইট মনিটাইজেশন অস্বাভাবিক কোন ব্যাপার না। আপনি এখন যেকোনো ওয়েবসাইটে গেলেই দেখতে পাবেন সেখানে গুগলের এড চলছে। সেটা হোক ইংরেজি কিংবা বাংলা।

যখন আপনার তৈরিকৃত একটি ব্লগ খুব দ্রুত উন্নতি করবে। অর্থাৎ প্রতিদিন হাজার হাজার ভিজিটর আপনার ব্লগ ভিজিট করবে। তখন চাইলে আপনি অ্যাড মনিটাইজেশনের বাইরে গিয়ে অন্যান্য উপায়ে অর্থ উপার্জন করার চিন্তা করতে পারবেন। যেমন ধরুনঃ

এই বাংলাদেশে বসে বাংলাতেই বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসের এডভারটাইজিং করতে পারবেন। সরাসরি এডভার্টাইজিং করতে পারবেন। যেকোন ধরনের ভাল ওয়েবসাইটের মালিকের সাথে সরাসরি বিভিন্ন অ্যাড কোম্পানিগুলো যোগাযোগ করেন। আর এভাবেই অনেক অর্থ উপার্জন আসে গুগল এডসেন্স থেকে।

যেকোন কোম্পানি তাদের কোম্পানির স্পন্সর পোস্ট করার জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট খুঁজে বেড়ায়। যদি আপনার ব্লগটি মানসম্মত হয় এবং প্রচুর ট্রাফিক পায়। তাহলে অবশ্যই সেখান থেকে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির স্পন্সর করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন বাংলা ওয়েবসাইট থেকে টাকা উপার্জন করার বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে । এবার আসুন এভাবে আসলে কত টাকা উপার্জন করা সম্ভব তা নিয়ে বলা যাক। আজ আমরা সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্লগ থেকে আয় করা সম্বন্ধে বিস্তারিত জানব।

ফ্রি ব্লগ থেকে আয় কিভাবে করা যায়?
ফ্রি ব্লগ থেকে আয় কিভাবে করা যায়?

এবার প্রশ্ন হল একটি বাংলা ওয়েবসাইট থেকে মূলত কত টাকা আয় করা যায়? এই প্রশ্নের উত্তর হল বাংলা ওয়েব সাইট থেকে আয় করার জন্য বিভিন্ন ধরনের রিকোয়ারমেন্ট আছে।

যেমন ধরুন এটা নির্ভর করে আপনার ব্লগের ট্রাফিক এবং ব্লগের নিশের উপর। আশা করি বিষয়টি বুঝাতে পেরেছি।

সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্লগ খোলার উপায়ঃ

বর্তমান সময়ে অনলাইনে বিভিন্ন কন্টেন্ট হোস্টিং সাইটে সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্লগ সাইট খোলা যায়। আপনি যদি চান তাহলে ফ্রি হোস্টেড প্ল্যাটফর্মের মধ্যে সর্বোচ্চ প্ল্যাটফর্ম blogger.com এ নিজের ব্লগ নিজেই তৈরি করতে পারবেন। এসম্বন্ধে আরও ভালো ভাবে জানতে নিচের সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়তে পারেনঃ

ফ্রি ব্লগ থেকে আয় করার নিয়মঃ

বর্তমান সময়ে শুধুমাত্র ব্লগিং করে টাকা উপার্জন করা সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন শুধু অসংখ্যক ভিজিটর। বিশ্বের যেকোন ভাষায় ব্লগিং করা যায়। আসুন আজ জেনে নেই বাংলা ভাষায় ব্লগিং করার সুবিধা গুলোঃ

সবচেয়ে বড় সুবিধা হল নিজের ভাষায় ইচ্ছামত ব্লগিং করা যায়। আর ব্লগের পোস্টগুলো সুন্দর মতো গুছিয়ে লেখা সম্ভব। বাংলাদেশের একজন নামকরা লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা অর্জন করা সম্ভব।

তবে আসলে বাংলা ব্লগিং থেকে অনেক কম টাকা উপার্জন হয়। যখন আপনার ব্লগে এড বসাবেন, তখন অনেক কম টাকা উপার্জন হবে।

বিপরীতদিকে ইংরেজি ভাষায় ব্লগ সাইট তৈরি করলে সেখানে ভিজিটর বেশি পাওয়া যায়। এর কারণ সকলেই মোটামুটি ইংরেজি ব্লগ বেশি পড়ে।

আর বিশ্বের সকল দেশ থেকেই মোটামুটি ভিজিটর আসবে। এজন্য বাংলা ব্লগের চেয়ে ইংরেজি ব্লগে উপার্জন বেশি হয়।

ফ্রি ব্লগ সাইট থেকে আয় করার উপায় সমূহঃ

১। ওয়েবসাইট মনিটাইজ করে আয়ঃ

নিজের বানানো ওয়েবসাইট মনিটাইজ করে টাকা আয় করা যায়। আমরা সকলেই জানি নিজের ব্লগে পোস্ট লিখে পাবলিশ করা যায়। আর সেখানে ভিজিটর আসে এবং সেই পোস্ট পড়ে।আর এটাই হচ্ছে আসল কথা।

যখন আপনি একটি ব্লগ সাইট তৈরি করবেন, তার পাশাপাশি সেই ব্লগে ভিজিটরও আসবে। আর তখন বিভিন্ন এড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে আপনার ব্লগ সাইটে এড বসানো যাবে।

আর সেই এড গুলো আপনার লেখা পোস্টের বিভিন্ন ফাঁকা জায়গায় বসানো হবে। ফ্রি ব্লগ থেকে টাকা আয় করার সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো মনিটাইজেশন বা গুগল এডসেন্সের এড ব্যবহার করা।

এখন প্রশ্ন হল এড থেকে কিভাবে টাকা আসে? এর উত্তর হল আপনার ব্লগে এড বসানোর পর সেই এডে ক্লিক করলে আপনার আয় হবে। আর এটাকেই আসলে ওয়েবসাইট মনিটাইজ বলে।

আপনার ব্লগে বিভিন্ন পোস্টে যত বেশি ভিজিটর হবে, আর ততো বেশি আপনার উপার্জন হবে। ব্লগে যত বেশি ভিউ হয়, তত বেশি ক্লিক পড়ার সম্ভাবনা থাকে। আর যত বেশি ক্লিক পরবে তত বেশি আয় হবে।

কারণ ব্লগসাইট মনিটাইজেশনের জন্য বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ভালো এড নেটওয়ার্ক হলো গুগল এডসেন্স। আপনি যদি একজন বাংলা ব্লগার হন তবে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ভাল ভাবে আয় করা সম্ভব।

আর গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাওয়ার জন্য গুগুলের নিজস্ব কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। গুগল এডসেন্স পলিসি মেনে চললে সহজেই এডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়া সম্ভব।

আর গুগলের নীতিতে এটাই বলা হয়েছে। গুগুল এডসেন্স মনিটাইজেশন অন রেখে ব্লগিং করে উপার্জন করা নির্ভর করে,

  • আর্টিকেলের বা পোস্টের কিওয়ার্ড এবং ব্লগ নিশের উপর। 
  • সিপিসি রেট ভালো হলে, ভালো টাকা আয়।
  • বিজ্ঞাপনে যত বেশি ক্লিক পরবে, ততো বেশি উপার্জন হবে।

ব্লগিং সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে নিচের পোস্ট গুলো পড়ুন-

২। নিজের ব্লগে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করুনঃ

বাংলা ব্লগ সাইটে এফিলিয়েট মার্কেটিং খুব বেশি একটা কাজ করে না। আর সেখান থেকে উপার্জনও খুব কম হয়। কিন্তু ইংরেজি ব্লগ থেকে এ উপায়ে সর্বোচ্চ উপার্জন হয় এবং এর জনপ্রিয়তাও আছে।

যদি আপনার ওয়েবসাইট ইংরেজিতে হয়, তাহলে এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে সবচেয়ে বেশি মনযোগ দেবেন। এফিলিয়েট মার্কেটিংএ আসলে যেকোন কোম্পানির কোন প্রোডাক্টকে প্রমোট করা হয়।

আর এই প্রোডাক্ট বিক্রি করার করার লিংক আপনার পোস্টের কোথাও এড করা হয়। আপনার দেয়া সেই লিঙ্কে ক্লিক করে যদি কেউ পণ্যটি সরাসরি অনলাইন থেকে কিনে নেয়, তবে সেখান থেকে একটি লাভের অংশ বা কমিশন আপনাকে দেয়া হবে।

আর আপনার নিজস্ব এফিলিয়েট লিংকটি পাবার জন্য অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে আপনাকে জয়েন করতে হবে।

অ্যামাজন, দারাজ, আলিবাবা এরকম অনলাইন কোম্পানির বিভিন্ন এফিলিয়েট প্রোগ্রাম থাকে। আর ঐসব প্রোগ্রামে জয়েন করে, তাদের কোম্পানির পণ্য গুলো সম্পর্কে পোস্ট করে সেখান থেকে ভাল টাকা আয় করে নেয়া যায়।

আর এভাবে আপনার একাউন্টে সে এমাউন্ট জমা হতে থাকলে পরবর্তীতে সেখান থেকে পেমেন্ট নেয়া যায়।

লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করতে পারেন শুধুমাত্র এফিলিয়েট প্রোগ্রাম বা এফিলিয়েট মার্কেটিং করে। Amazon, Topshop, ASOS, Daraz, Alibaba এবং Apple. প্রভৃতি ব্র্যান্ডের এফিলিয়েট প্রোগ্রামে জয়েন করা যায়।

Affiliate Window তে রেজিস্ট্রার করুনঃ

যাদের ইংরেজি ব্লগ রয়েছে তাদের কাছে অ্যাফিলিয়েট উইন্ডো অনেক বেশি জনপ্রিয়। এফিলিয়েট উইন্ডো থেকে অনেক সার্ভিস, ব্র্যান্ড পণ্যের এফিলিয়েট লিংক নেওয়া যায়। সেগুলো যেকোন ভাবে প্রমোট করে বিক্রয় সম্পন্ন করলে কমিশন পাওয়া যায়।

যারা ইংরেজিতে ব্লগিং করে তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ব্লগারের প্রথম পছন্দ থাকে এফিলিয়েট প্রোগ্রাম। কারণ আমি আগেও বলেছি যেকোন এফিলিয়েট প্রোগ্রামের জয়েন করে বেশি টাকা আয় করা যায়।

একজন ভাল অর্থনৈতিক এবং খাঁটি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে হলে যেকোনো পণ্য নিয়ে সততার সাথে প্রমোট করুন। ঐ পণ্যের ভুল ত্রুটিগুলো দেখিয়ে দিন। পাশাপাশি ঐ পণ্যের সুবিধা গুলোও দেখান।

আপনার ভিজিটরের কাছে কোন কিছু লুকানোর চেষ্টা করবেন না। এতে আপনার প্রতি তাদের বিশ্বস্ততা ভেঙ্গে যাবে। এবং সুবিধা ও অসুবিধা আলোচনা করার পর সেখানে এফিলিয়েট লিংক দিয়ে রাখবেন। তখন যদি কেউ ঐ পণ্যটি ক্রয় করে, তবে সেখান থেকে আপনি কমিশন পাবেন।

৩। ওয়েবসাইটে ব্যানার এডভারটাইস যোগ করুনঃ

ব্লগে ব্যানার এডভার্টাইজিং করেও ভালো টাকা আয় করা সম্ভব। ব্যানার এড ব্লগে যোগ করে একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির সাথে যোগাযোগ রাখা যায়।

আবার ঐসব কোম্পানি থেকেও ব্লগে ব্যানার শো করানো যায়। আবার কখনো কখনো ব্লগে ব্যানার প্রদর্শন করে, সেখান থেকে টাকা আয় করে নেয়া যায়।

একটি ওয়েবসাইটে ব্যানার সকল জায়গায় মোটামুটি প্রদর্শন করানো যায়। তবে ব্লগে হেডার এবং ফুটার অপশনটিতে এড ব্যানার এডভেটাইজ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রাখা হয়। সেখানে অনেক বেশি ক্লিক করার সম্ভাবনাও থাকে।

সিপিসি অর্থাৎ কস্ট পার ক্লিকের মাধ্যমে অনলাইন থেকে আয় করা যায়। প্রতিটি ক্লিকের ভিত্তিতে আপনাকে টাকা দেওয়া হবে। আবার সিপিএমে অর্থাৎ প্রতি ১০০০ ভিউ হলে কত টাকা পাবেন সেটাকে বলা হয় CPM। বাংলা ভাষার ওয়েবসাইট গুলোতে মূলত সিপিএমে 0.50 ডলার পর্যন্ত আয় হয়।

তবে মনে রাখা ভাল বর্তমানে এড ব্লকারের মতো অনেক প্লাগিন আছে। যেগুলোর কারণে বর্তমান সময়ে সিপিসি, সিপিএম এর হার আগের তুলনায় অনেকটা কমে গেছে।

ভিজিটের এখন এড দেখতে তেমন পছন্দ করেনা। কোনরকম এড না দেখেই যেকোনো ওয়েবসাইটের পোস্টগুলো পড়ে নিতে চায়।

৪। স্পনসর্ড পোস্ট করুনঃ

অনেক সময় ছোট ছোট ব্লগসাইট অথবা ওয়েবসাইট প্রমোট করার মাধ্যমে টাকা আয় করা যায়। ছোট ছোট সাইট থেকে স্পন্সর করা অনুযায়ী টাকা নেয়া যায়। যেসব ওয়েব সাইটে ভালো ভিজিটর আছে সেসব ওয়েবসাইটে মূলত স্পন্সর পোস্ট করা হয়।

ধরুন, প্লে স্টোরের কোন একটা অ্যাপস স্পন্সর করার জন্য ভালো একটি ওয়েবসাইটের প্রয়োজন। আপনি যদি স্পনসর্ড পোস্টগুলো নিতে পারেন এবং তাদের থেকে ভালভাবে ডিল করতে পারেন তাহলে ভালো টাকা আয় করতে পারবেন।

এটি করতে চাইলে ভালো ভালো ব্লগ সাইটে অথবা ভালো কোন গ্রুপ-পেজে যোগদান করা উচিত। যাতে করে যদি কোন ব্যক্তি নিজস্ব ওয়েবসাইট কারো ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রমোট করাতে চায়। কিংবা ব্যাকলিংক নিতে চায়, তবে সেখান থেকে যেন আপনার কিছু টাকা আয় হয়ে যায়।

৫। গেস্ট ব্লগিং করুনঃ

যদি আপনার লেখালেখি করার দক্ষতা ভাল হয়, তবে গেস্ট ব্লগিং করার মাধ্যমেও টাকা আয় করতে পারেন। বিভিন্ন ব্লগে গিয়ে নিজের ব্লগার পরিচিতি দিয়ে ঐসব ওয়েবসাইটে ব্লগিং করুন।

তারপর সেখান থেকেও টাকা আয় করতে পারবেন। এভাবে যত ভালো কনটেন্ট লিখতে পারবেন তত বেশি টাকা আয় করতে পারবেন।

৬। কনটেন্ট সেল করুনঃ

নিজস্ব ওয়েবসাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেল বিক্রি করেও টাকা আয় করা যায়। ভাল কনটেন্ট হলে, সে ভিত্তিতে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২,৫০০ টাকা পর্যন্ত এক একটি কনটেন্ট এর মূল্য আছে।

আপনি যত বেশি আর্টিকেল বিক্রি করতে পারবেন ঠিক তত বেশি টাকা ইনকাম হবে। ভাল ভাল ব্লগাররাও মাঝে মাঝে কন্টেন্ট বিক্রি করে টাকা আয় করতে চায়। বর্তমানে মোটামুটি সব ওয়েবসাইটিই আর্টিকেল ক্রয় করে থাকে।

৭। ব্যাকলিংক সেল করে আয়ঃ

যেকোনো একটি ওয়েবসাইটের বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঐ ওয়েবসাইটের ডোমেন অথোরিটি বাড়তে থাকে। যদি আপনার ওয়েবসাইটের DA, PA বেশি হয়ে থাকে, তবে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের কাছে পেইড ব্যাকলিংক বিক্রি করতে পারেন। এর মাধ্যমেও কিছু টাকা আয় করে নেয়া যায়।

শেষকথাঃ

ব্লগিং করে বা ওয়েবসাইটে লেখালেখি করে আপনি, আমি অথবা যেকেউ যেকোন বয়সেই টাকা আয় করতে পারি। ফ্রিতে ব্লগ থেকে আয় করার জন্য উপরে উল্লেখিত উপায়গুলো যথেস্ট ভালো এবং সবচেয়ে জনপ্রিয়।

প্রিয় পাঠক আশাকরি আপনার ভাল লেগেছে। নিয়মিত এরকম নতুন নতুন আর্টিকেল পড়তে এই ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

Share Is Caring.. ❤️

           

আসসালামু আলাইকুম। আমি পেশায় একজন চাকুরিজীবী এবং এই ওয়েবসাইটের এডমিন। আমি ব্লগ পড়তে এবং আর্টিকেল লিখতে পছন্দ করি। অবসর সময়ে ব্লগে বিভিন্ন বিষয়ে লিখে শেয়ার করে থাকি।

Leave a Comment