১৫ টি সেরা এন্ড্রয়েড টিপস এবং ট্রিকস

5/5 - (2 votes)

১৫ টি সেরা এন্ড্রয়েড টিপস এবং ট্রিকসে আপনাদের স্বাগতম। আসসালামু আলাইকুম। আজ বিশ্বের অধিকাংশ মানষই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। যার মধ্যে প্রায় ৮০% মানুষই স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকে। আর মজার ব্যাপার হল এইসব মানুষজনের মধ্যে অধিকাংশ মানুষই এন্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করে থাকেন। এন্ড্রয়েড মোবাইল সবার কাছেই খুব জনপ্রিয়। তাই এই পোস্টটিতে আজ আমি আপনাদের সাথে সবচেয়ে সেরা এবং খুবই প্রয়োজনীয় কিছু এন্ড্রয়েড টিপস এবং ট্রিকস শেয়ার করব। এইসব এন্ড্রয়েড টিপস এবং ট্রিকস অবশ্যই আপনাদের ভাল লাগবে বলে আমি আশা করি। সুতরাং ধৈর্য নিয়ে পুরো আর্টিকেলটি পড়ার জন্য অনুরোধ রইল।

সেরা এন্ড্রয়েড টিপস এবং ট্রিকস

আজ আমি আপনাদের যে সাথে এখানে যে ১৫টি এন্ড্রয়েড টিপস এবং ট্রিকস শেয়ার করব সেগুলোর মধ্যে হয়ত কয়েকটি আপনার আগে থেকে জানা থাকতেই পারে। কিন্তু হয়ত অনেকেই আছেন যারা খুব সাধারণ বিষয়গুলোও জানেন না যেগুলো অন্যদের জন্য ডাল ভাত। নিচের দেয়া এই এন্ড্রয়েড টিপস এবং ট্রিকস গুলো তাদের জন্য।

আমি মনে করি আমি আজ যে ১৫ টি এন্ড্রয়েড টিপস এবং ট্রিকস শেয়ার করব সেগুলো অনেক কাজের। এই টিপস এবং ট্রিকস গুলো সাধারণ হলেও যারা এন্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করেন তাদের প্রত্যেকেরই এগুলো জানা দরকার। তাহলে আর দেরি না করে চলুন শুরু করিঃ

১৫ সেরা এন্ড্রয়েড টিপস এবং ট্রিকস
সেরা এন্ড্রয়েড মোবাইল টিপস এবং ট্রিকস

১) Disable Unnecessary Pre-installed apps

সাধারণত যখন আমরা একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল নতুন কিনে থাকি তখন এই এন্ড্রয়েড মোবাইলে আগে থেকেই কিছু এপস ইনস্টল করা থাকে। যেগুলো সাধারণত আমরা ব্যবহার করি না বা যেগুলো সাধারণত আমাদের খুব বেশি প্রয়োজন হয় না।

আর এই এপসগুলো এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজ স্পেস (Internal Storage Spec) নিয়ে রাখে এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে এই এপসগুলো চলতে থাকার কারণে ফোনের ব্যাটারি, স্টোরেজ এবং প্রসেসর ব্যবহার হতে থাকে।

সুতরাং সর্বপ্রথম এন্ড্রয়েড টিপস হলো বিনা প্রয়োজনে ফোনের ব্যাটারি এবং স্পিড ক্ষয় কমাতে আপনি সেই প্রি-ইনস্টলড এপসগুলো ডিসেবল (Disable) করে রাখতে পারেন।

এপস ডিসেবল করে রাখলে আপনার অপ্রয়োজনীয় এপসগুলো ফোনে থাকা সত্ত্বেও কোন ধরনের কাজ করবে না। এর অর্থ ব্যাকগ্রাউন্ডে অনবরত চলতে থাকা বা ফোনের ব্যাটারি ব্যবহার করা এসব কাজ আর ঐ এপসগুলো করতে পারবে না।

এন্ড্রয়েড মোবাইলের এপস ডিসেবল করতে আপনার মোবাইলে থাকা Settings >> App manager বা Apps এ গিয়ে এপস বাছুন যেই এপস আপনার অপ্রয়োজনীয় তারপর তাকে disable করুন। আপনি চাইলে পরবর্তীতে এখান থেকেই আবার কোন এপসকে Enable করতে পারবেন।

২) Restrict background data of apps

যারা এন্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করেন তাদের মোবাইলে অনেক রকমের এপস কম বেশি ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাটা বা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে থাকে। এসব ব্যাপারে আমরা অনেক কম বুঝি কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ডে ইন্টারনেট ব্যবহার করার ফলে আপনার ইন্টারনেট প্যাক অনেক দ্রুত শেষ হয় যায় আর আপনি তার কোন কারণ খুঁজে পাননা।

এজন্য দ্বিতীয় এন্ড্রয়েড টিপস হলো আপনি আপনার ফোনের সেটিংস অপশনে গিয়ে তারপর Data Usage অপশনে গেলে দেখতে পাবেন আপনার কোন এপসগুলো সবচেয়ে বেশি ব্যাকগ্রাউন্ডে ইন্টারনেট ডাটা ব্যবহার করছে তার তালিকা।

আর এই এপস এর তালিকা থেকে, যেই এপস সবচেয়ে বেশি ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাটা ব্যবহার করছে সেই এপস এর ক্লিক বা Select করে ওখানে থাকা ” Data” অপশনটি ডিসেবল করে দিলে সেই এপস ব্যাকগ্রাউন্ডে আর Data বা Internet ব্যবহার করবে না।

৩) মোবাইলের ব্যাটারির আয়ু বাড়ানঃ

আপনি আপনার ফোন কখনো চার্জে (Charge) দিয়ে ব্যবহার করবেন না। মোবাইল চার্জে (charge) দিয়ে ব্যবহার করবেননা। মোবাইল চার্জে দিয়ে ব্যবহার করার ফকে এর ব্যাটারিতে খুব খারাপ প্রভাব পরে এবং খুব দ্রুত ফোনের ব্যাটারি খারাপ হয়ে যেতে পারে।
এছাড়াও আপনার ব্যবহৃত এন্ড্রয়েড মোবাইল সবসময় ৯৫% বা এর চেয়েও কম চার্জ দেয়ার চেষ্টা করবেন। আর আপনার মোবাইল ২০% এর নিচে চার্জ থাকলে মোবাইল ব্যবহার করবেন না।

মোবাইল চার্জ ফুল হয়ে গেলে মানে ১০০% চার্জ সম্পূর্ণ হবার পর, চার্জারটি মোবাইল থেকে খুলে দিবেন। তাহলে আর ব্যাটারিতে অতিরিক্ত চাপ পরবে না।মোবাইলের এই ব্যাটারি সম্পর্কিত টিপস গুলো মেনে চললে আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী হবে।

৪) ইন্টারনাল স্টোরেজ ফ্রি করুন

এন্ড্রয়েড মোবাইলের internal storage যখন ফুল হয়ে যায় তখন এপস ইনস্টল করতে গেলেই, বা কোন কিছু করতে গেলেই “Low internal storage” এর একটি মেসেজ দেখায়। এরজন্য নতুন কোন এপস আর ইনস্টল করা যায়না।

এছাড়া, এন্ড্রয়েড মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ লো (Low) হয়ে গেলে, মোবাইল খুব স্লো কাজ করা শুরু করে এবং মাঝে মাঝে হ্যাং (hang) হয়ে যায়।
এজন্য আপনি চাইলে খুব সাধারণ কিছু টিপস ব্যবহার করে এন্ড্রয়েড মোবাইলের internal storage space খুব সহজে বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

Internal Storage বাড়ানোর নিয়ম

 Delete unnecessary apps –

সবার প্রথম এন্ড্রয়েড মোবাইলের আপনার অপ্রয়োজনীয় কিছু এপস ডিলিট করে ফেলুন। শুধুমাত্র আপনার প্রয়োজনীয় এপস যেগুলো আপনি প্রতিনিয়ত ব্যবহার করেন শুধুমাত্র সেই এপসগুলি ফোনে রাখুন।

 Shift media to memory card –

আপনার মোবাইলে যদি অনেক ভিডিও বা মিউজিক ফাইল থাকে সেগুলো external memory card এ transfer করুন। কেবল, আপনারা একটি নতুন ১৬ জিবি মেমোরি কার্ড ৩০০-৫০০ টাকার মধ্যেই বাজারে পেয়ে যাবেন।

 Clean apps cache data –

এন্ড্রয়েড মোবাইলের প্রতিটি এপস ইন্টারনাল স্টোরেজের কিছু জায়গা ক্যাশে ডাটা (cache data) হিসেবে নিয়ে রাখে। এজন্য কিছুদিন পর পর এই ক্যাশে ডাটা ডিলিট করে মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ বাড়িয়ে নিতে পারবেন। এটি করতে আপনি, settings >> manage apps বা apps এ গিয়ে apps বেছে নিয়ে তারপর cache data delete বা delete data অপশনে গিয়ে ক্যাশে ডিলিট করতে পারবেন।

৫) Reboot your smartphone

যেভাবে প্রতিটি মানুষের শরীরে ঘুমের প্রয়োজন বা ঘুমানোর পর মানুষ ফ্রেশ এবং সক্রিয় (Active) মনে করে, ঠিক তেমনি একটি এন্ড্রয়েড মোবাইলও মাঝে মাঝে রিস্টার্ট (restart) বা reboot করলে, মোবাইল fresh এবং আবার নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠে।
আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন, যখন এন্ড্রয়েড মোবাইল বেশি হ্যাং (hang) হয় বা খুব স্লো (slow) কাজ করে, তখন মোবাইলটিকে একবার রিস্টার্ট (Restart) বা রেবট (reboot) করলে মোবাইল আবার আগের মত দ্রুত কাজ করা শুরু করে।

এজন্য, এখানে এন্ড্রয়েড টিপস হলো আপনার android smartphone টি মাসে দুইবার হলেও restart বা reboot করবেন। ফলে, মোবাইলের কর্মক্ষমতা ভালো হয়ে উঠবে।

৬) Make smartphone stylish

এন্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য বিভিন্ন Launcher aaps যেমন Nova launcher বা Go launcher বা আরো নানান রকমের ফ্রি launcher apps পাওয়া যায়। এসব এপস ইনস্টল করে বিভিন্ন থিমস কাস্টমাইজ, LOOKS CUSTOMIZE, icon, home screen customize করে বদলে দিয়ে আরো আকর্ষণীয় বানিয়ে নিতে পারবেন এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন। আপনারা গুগুলে ফ্রিতেই হাজার হাজার সুন্দর সুন্দর এবং আকর্ষণীয় থেমস (themes) পেয়ে যাবেন।

৭) মোবাইলের স্ক্রিন রেকর্ড করুনঃ

আপনার যদি একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকে এবং আপনি যদি যেকোন tutorial videos বানান তাহলে এন্ড্রয়েড মোবাইলের স্ক্রিন রেকর্ড (screen record) করে স্ক্রিনের ভিডিও বানানোর প্রক্রিয়া আপনাদের অনেক কাজে আসবে।

এজন্য আপনি গুগল প্লে (Google Play Store) স্টোরে গিয়ে, screen recorder লিখে সার্চ করলে অনেক app পেয়ে যাবেন। সেগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি এন্ড্রয়েড মোবাইলে ইনস্টল করুন। তারপর আপনি এন্ড্রয়েড মোবাইলের স্ক্রিন ভিডিও হিসেবে রেকর্ড করতে পারবেন এবং ঐ ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করতে পারবেন।

৮) মোবাইলে antivirus apps ব্যবহারঃ-

একটি এন্ড্রয়েড মোবাইলে আমরা বিভিন্ন ধরনের apps বা files ব্যবহার করি এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে visit করাটা হচ্ছে সাধারণ কথা।
কিন্তু আপনারা কি জানেন, বিভিন্ন ওয়েবসাইট, অ্যাপস বা মিডিয়া ফাইলস এর অবিশ্বস্ত জায়গা থেকে এন্ড্রয়েড মোবাইলে অনেক ধরনের malware, spyware, adware বা Trojan ভাইরাস ঢুকে সহজেই জায়গা করে নিতে পারে।

এজন্য অবশ্যই এন্ড্রয়েড মোবাইলে একটি ভালো এন্টিভাইরাস অ্যাপ ব্যবহার করবেন। যাতে, অন্য কোন জায়গা থেকে মোবাইলে কোন ধরনের ক্ষতিকারক ভাইরাস না ঢুকতে পারে।

৯) Clean master app এর ব্যবহার

এন্ড্রয়েড মোবাইল বেশ কিছুদিন ব্যবহার করার পর এতে নানান ধরনের junk files, cache files বা অ্যাপ ডাটা জমা হয়ে যায়।

আর এইসব অপ্রয়োজনীয় ডাটাগুলি এন্ড্রয়েড মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ ভর্তি করে রাখে। তাছাড়া, আপনি একটু খেয়াল করলেই দেখবেন এই অপ্রয়োজনীয় ডাটাগুলো মোবাইলে জমা হতে থাকে মোবাইল স্লো হয়ে যায় বা মাঝে মাঝে হ্যাং হয়ে যায়।

এজন্য, clean master app ব্যবহার করে শুধুমাত্র এক ক্লিকেই ফোনের সব ধরণের অপ্রয়োজনীয় ডাটা ডিলিট করে এন্ড্রয়েড মোবাইলের স্টোরেজ আবার বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

এছাড়াও, RAM clean করে মোবাইল স্পিড দ্রুত করার জন্য phone boost অপসনটিও এখানে রয়েছে। Phone Boost করার পর আপনি নিজেই এন্ড্রয়েড মোবাইলের দ্রুত স্পিড অনুভব করতে পারবেন।

১০) এন্ড্রয়েড টিপস Use find my phone feature

বিশ্বের জনপ্রিয় কোম্পানি গুগল এন্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য একটি বিশেষ ফীচার (feature) দিয়েছে। আর সেটা হচ্ছে , Google find my device service এই ফীচার ব্যবহার করে, আপনি নিজের হারিয়ে যাওয়া স্মার্টফোনের লোকেশন খুব সহজেই খুঁজে বের করতে পারবেন।

আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলটি যদি কখনো হারিয়ে যায়, তাহলে Google find my device এর ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার হারিয়ে যাওয়া মোবাইলে যেই google account বা Gmail ID ছিল সেই Google বা gmail আইডি দিয়ে লগইন করতে হবে।

এরপর, গুগল সেই হারিয়ে যাওয়া এন্ড্রয়েড মোবাইলের location ম্যাপের মাধ্যমে দেখিয়ে দিবে। আর মজার ব্যাপার হচ্ছে এই ম্যাপের সাহায্যে এন্ড্রয়েড মোবাইলটি কোথায় থেকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেটাও জানতে পারবেন।

তাছাড়াও, এই ওয়েবসাইটের ভিতরে থাকা “Play sound” অপশনটি ব্যবহার করে হারিয়ে যাওয়া মোবাইলের sound করতে পারবেন।

তাছাড়া এর “Erase device” অপশনটি ব্যবহার করে এন্ড্রয়েড মোবাইলের সব ডাটা বা ফাইল সম্পূর্ণ ডিলিট করে দিতে পারবেন। কিন্তু, এটি করার পর আপনি আর ঐ মোবাইলটিকে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে locate করতে পারবেন না।

১১)এন্ড্রয়েড টিপস Android mobile root করুনঃ-

আপনারা হয়ত অনেকেই শুনে থাকবেন এন্ড্রয়েড মোবাইল রুট করার কথা। আবার হয়ত অনেকেই এই এন্ড্রয়েড টিপস এর কথা জানেন না। এন্ড্রয়েড মোবাইল রুট করার পর ঐ রুট করা এন্ড্রয়েড মোবাইলে কিছু বিশেষ ধরণের apps বা features ব্যবহার করা যায়। যেগুলি রুট ছাড়া মোবাইলে কখনো কাজ করবে না।

তাছাড়া, এন্ড্রয়েড মোবাইল রুট করার পর আপনারা মোবাইলের UI (User interface) পরিবর্তন তাকে আরো অনেক বেশি আকর্ষণীয় বানাতে পারবেন। রুট করা মোবাইলে বিভিন্ন stock ROM install করতে পারবেন। এবং, সেই সাথে এন্ড্রয়েড মোবাইলের pre-installed apps সম্পূর্ণ ডিলিট করতে পারবেন।

১২) Portable Wifi হটস্পট (hotspot) এর ব্যবহারঃ-

এন্ড্রয়েড মোবাইলের সেটিংস (settings) অপশনে থাকা “personal/Portable hotspot” অপশনটি কি এবং এর কাজ কি? এবিষয়ে অনেকেই হয়ত জানেন না।

মূলত, যখন আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে wifi hotspot option টি চালু করা হবে। তখন অন্য কোন ব্যক্তি তার ল্যাপটপ, কম্পিউটার বা মোবাইলে wifi অপশনটি চালু করে। আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে চালু করা hotspot connection এর সাথে wifi এর মাধ্যমে যোগ (connect) হয়ে।

আপনার মোবাইল থেকে ইন্টারনেট বা ডাটা ব্যবহার করতে পারবে। সাধারণত একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল থেকে অন্য কোন মোবাইল বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করার জন্য wifi hotspot অপশনটির ব্যবহার করা হয়।

১৩) এন্ড্রয়েড টিপস Use Dual apps feature

আপনারা অনেকেই হয়ত এই এন্ড্রয়েড টিপস এর কথা শুনেছেন ইতিমধ্যে। বর্তমান সময়ের নতুন মডেলের এন্ড্রয়েড মোবাইলের (সেটিংস) Settings option এ “Dual apps“ বা “app clone” নামে একটি function দেয়া থাকে।

এই ফীচারটি ব্যবহার করে আপনারা একটি এন্ড্রয়েড মোবাইলে দুটি অ্যাপ একসাথে ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন, একটি এন্ড্রয়েড মোবাইলে দুটি হোয়াটস্যাপ বা ইমু (whatsapp or imo) একাউন্ট ব্যবহার করা।

১৪) এন্ড্রয়েড টিপস OTG cable এর ব্যবহারঃ-

বর্তমান সময়ের স্মার্টফোনে OTG ক্যাবল এর সাহায্যে মোবাইলেই pendrive, keyboard বা গেম খেলার জন্য game pad ব্যবহার করা যায়। তাছাড়া, বর্তমান সময়ে নানান রকমের ছোট ছোট হাজার হাজার গ্যাজেট (gadget) বের হয়ে গেছে। যেগুলি আপনারা অতি সহজে OTG cable এর সাহায্যে এন্ড্রয়েড মোবাইলে ব্যবহার করতে পারবেন।

১৫) Reset / restore factory settings

সর্বশেষ এন্ড্রয়েড টিপস হলো এন্ড্রয়েড মোবাইলের settings option এ “Restore data“ বা “factory reset“ এরকম নামের একটি অপশন থাকে। এই অপশনটি দ্বারা আপনি চাইলে আপনার মোবাইলের সব ডাটা এবং ফাইল ডিলিট করে তাকে আবার নতুন অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন।

অর্থাৎ, মোবাইলটি যখন কেনার সময় একেবারে ফাস্ট এবং দ্রুত গতির ছিল সেই অবস্থায় নিয়ে যেতে পারবেন। কিন্তু, অবশ্যই সবসময় মনে রাখবেন, এই অপশন ব্যবহার করার পর, আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলের সব কিছু মুছে যাবে। যা যা আপনি নিজের থেকে ইনস্টল করেছেন বা রেখে দিয়েছেন।

শেষ কথা

আজ এপর্যন্তই, আশা করি উপরোক্ত এই এন্ড্রয়েড টিপস এবং ট্রিকস সম্পর্কিত আর্টিকেলটি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। যদি আর্টিকেলটি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই অন্যদের সাথে শেয়ার করবেন। আর নিয়মিত এমন টিপস এবং ট্রিকস পেতে এই ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। ধন্যবাদ সবাইকে।

Share Is Caring.. ❤️

           

আসসালামু আলাইকুম। আমি পেশায় একজন চাকুরিজীবী এবং এই ওয়েবসাইটের এডমিন। আমি ব্লগ পড়তে এবং আর্টিকেল লিখতে পছন্দ করি। অবসর সময়ে ব্লগে বিভিন্ন বিষয়ে লিখে শেয়ার করে থাকি।

1 thought on “১৫ টি সেরা এন্ড্রয়েড টিপস এবং ট্রিকস”

Leave a Comment