মোবাইল কেনার আগে যে ৯টি বিষয়ের উপর নজর দিবেন

5/5 - (1 vote)

আমার সাধারণত একটি মোবাইল ফোন কেনার পূর্বে শুধুমাত্র মোবাইলের দাম দেখে সেই মোবাইলটি ভাল না খারাপ তার বিচার করি। অর্থাৎ মোবাইলের দাম বেশি হলে সেই মোবাইলে ভাল আর দাম একটু কম হলে সেই মোবাইলটি খারাপ। তাইতো? কিন্তু এটা মোটেই ঠিক না। মোবাইল ফোন কেনার পূর্বে অবশ্যই কি কি বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে তা আমি এখন আলোচনা করব।

মোবাইল কেনার আগে কি কি দেখবেনঃ

বর্তমান সময়ে একটি স্মার্টফোন কেনার পূর্বে আপনার যদি এবিষয়ে কিছু সাধারণ জ্ঞান বা টিপস জানা থাকে, তাহলে আপনি আপনার বাজেটের মধ্যে সেরা এবং সবচেয়ে ভাল একটি স্মার্টফোন কিনতে পারবেন। এজন্য এই কন্টেন্টে আমি আপনাদের এমন কিছু সাজেশন বা পরামর্শ দিব। যা জানার পর আপনি সব রকম ভাল মন্দ বিচার করে নিজেই একটি স্মার্টফোন ফোন কিনতে পারবেন।

এছাড়াও একটি মোবাইল ফোনে কি কি ফাংশন (function) এবং ফিচারস (features) থাকতে হয় তাও আপনি অনায়সে জানতে পারবেন। এককথায়, বর্তমান সময়ে একটি ভাল স্মার্টফোন কেনার পূর্বে যা জানা দরকার পুরোনোই এখানে আমি বলতে চলেছি।

আপনার মোবাইল চার্জ হতে সময় নেয় কারণ জানুন-itshohorbd
মোবাইল

মূলত একটি স্মার্টফোন কেনার তেমন ধরাবাঁধা কোন নিয়ম নেই। কিন্তু আপনি কিছু basic features কিংবা advanced features এবং প্রয়োজনীয় কিছু ফাংশনের ব্যাপারে জানলে নিঃসন্দেহে একটি পারফেক্ট স্মার্টফোন কিনতে পারবেন। তাহলে আর দেরি না করে আমরা জেনে নেই কিভাবে একটি ভাল স্মার্টফোন কিনব এবং স্মার্টফোন কেনার আগে কোন কোন জিনিস জানা খুব দরকার।

এখন আমি আপনাকে কিছু basic এবং advanced Tips এবং সাজেশন দিবো। এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ার পর আপনি একটি বেস্ট এন্ড্রয়েড ফোন বেছে নিতে পারবেন। বর্তমানে একটি স্মার্টফোনে কিছু minimum features এবং ফাংশন থাকা অবশ্যই জরুরি যেগুলোর ব্যাপারে আমরা অনেকেই জানিনা।

সেরা স্মার্টফোন কিভাবে সিলেক্ট (select) করবেন ?

তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে আমি বর্তমান সময়ে লেটেস্ট স্মার্টফোনের ফিচারস এবং ফাংশনের ওপর পরামর্শ দিব। আপনি এখন জানতে চলেছেন বর্তমান যুগে latest smartphone এ কেমন function, features এবং build quality থাকলে সেটি সেরা (best) হয়।

১। মোবাইলের স্ক্রিন (screen) এবং ডিসপ্লে (display):

একটি স্মার্টফোনের ডিসপ্লে বলতে আমরা শুধু তার সাইজ (size) কত বড় সেটা দেখি। কিন্তু স্ক্রিন সাইজের সঙ্গে সেই স্ক্রিনে ব্যবহৃত ডিসপ্লে HD না WVGA না FULL HD তা দেখাও প্রয়োজন। যদিও স্মার্টফোনের স্ক্রিন ৫-৬ ইঞ্চির মধ্যে থাকাটা ভাল। এছাড়া মোবাইলে HD বা FULL HD display থাকলে ভিডিও দেখে, গেইমস খেলে বা খালি চোখে দেখতেও ভালো লাগবে। আর Display টির quality অনেক আকর্ষণীয় হবে।
কিন্তু wvga screen হলে দেখতে তেমন ভাল লাগবে না এবং ভিডিও দেখে বা গেইমস খেলেও শান্তি পাবেন না।

এজন্য একটি স্মার্টফোন কেনার পূর্বে অবশ্যই দেখে নিবেন সেটির স্ক্রিন যেন FULL HD অথবা কম করে হলেও HD+ হয়।মোবাইল ফোনের উন্নত এবং আকর্ষণীয় display quality র জন্য screen resolution অবশ্যই দেখে নিবেন। শুধুমাত্র screen size বড় হলেই হবে না। size এর সংগে তার রেজুলেশনও বেশি হতে হবে। 720×1520 pixels অথবা তার চেয়ে বেশি স্ক্রিন রেজুলেশন থাকলে তবেই সেই মোবাইলে high quality ডিসপ্লের মজা নেয়া সম্ভব।

এছাড়াও ডিসপ্লে যেন IPS LCD অথবা তার চেয়েও better হয়। waterdrop notch display থাকলে আপনি একটি প্রিমিয়াম লুক এবং stylish display look দুটোই পাবেন। আর সবশেষে pixel density 270 PPI অথবা তার চেয়েও বেশি থাকা ভাল। উপরে বর্ণিত মতানুসারে আপনি যদি মোবাইলের ডিসপ্লে বেছে নেন তাহলে অবশ্যই সে ডিসপ্লে অনেক আকর্ষণীয় ও চোখে লাগার মত হবে। আর এটিতে আপনি গেইমস খেলে, ভিডিও দেখে এবং ব্যবহার করে আপনার অনেক ভাল লাগবে।

২। Battery power:

বর্তমানে স্মার্টফোনের সবচেয়ে আগে যে জিনিস দেখা প্রয়োজন তা হল স্মার্টফোনের ব্যাটারি কত MaH এর। মোবাইলের ব্যাটারি যত বেশি MaH এর হবে, মোবাইলে তত বেশি চার্জিং ব্যাকআপ পাবেন। সোজা কথায় মোবাইলের চার্জ দীর্ঘক্ষণ থাকবে।

বর্তমান স্মার্টফোনগুলোতে ব্যাকগ্রাউন্ড এপস এবং ডাটা বেশি কাজ করে। এজন্য আপনি স্মার্টফোন ব্যবহার না করলেও আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি অটোমেটিক নিজে নিজেই কমে যাবে। যদি আপনি স্মার্টফোন গেইমস খেলার জন্য ব্যবহার করেন অথবা ভিডিও দেখার জন্য, তাহলে তার ব্যাটারির MaH কম থাকার কারণে ফোনের চার্জ অনেক কম সময়ে শেষ হয়ে যাবে।

যার কারণে আপনাকে ঘন ঘন মোবাইল চার্জ দিতে হবে। এজন্য, ঘন ঘন যেন আপনার ফোন চার্জ দিতে না হয়, সেজন্য খেয়াল করে ৪০০০ MaH বা তার চেয়ে বেশি MaH এর ব্যাটারি থাকা ফোন কিনুন। ফোনের ব্যাটারি ৪০০০ MaH এর চেয়ে কম হলে আপনাকে ঘন ঘন মোবাইল চার্জ দিতে হবে।

৩. মোবাইলের RAM:

একটি মোবাইলে দ্রুত এবং হ্যাং ব্যতীত কাজ করার জন্য ফোনে অধিক RAM এর প্রয়োজন। ফোনে যখনি কোন ভিডিও দেখা হয়, গেইমস খেলা হয়, এপস ব্যবহার করা হয় কিংবা যেকোনো কাজ করা হয়, তখন সেই কাজের জন্য মোবাইলে থাকা RAM এর প্রয়োজন হয়। এবং ফোনে যখন RAM বেশি থাকে তখন মোবাইল কোন প্রকার হ্যাং হওয়া ব্যতীত যেকোনো কাজ কোন অসুবিধা ছাড়াই করতে পারে। এরজন্য আপনার স্মার্টফোন খুব ফাস্ট এবং smoothly কাজ করে।

অপরদিকে, মোবাইলে RAM কম থাকলে RAM এর সীমাবদ্ধতার জন্য যেকোনো কাজ করতে অসুবিধা হয়। ফলে, স্মার্টফোন হ্যাং (Hang) বা slow কাজ করে। তাই স্মার্টফোন কেনার পূর্বে তাতে ব্যবহৃত RAM এর সংখ্যা কত সেটা অবশ্যই দেখে নিবেন। fast এবং smooth কাজের জন্য minimum ৩ GB বা ৪GB RAM থাকা স্মার্টফোন কিনবেন। ৬ GB RAM হলে ভাল হয়। কিন্তু কম বাজেটে ৬GB RAM এর স্মার্টফোন পাওয়া কষ্টসাধ্য। মনে রাখবেন, ১GB বা ২GB RAM এর স্মার্টফোন আপনাকে অসুবিধায় ফেলবে।

৪. মোবাইলের processor:

RAM এর মত স্মার্টফোনে processor core তাকে দ্রুত এবং smooth কাজ করতে সহায়তা করে। আপনার স্মার্টফোন যদি processor dual core বা quad core এর হয়ে থাকে, তবে সম্ভবত কিছুদিন পর slow কাজ করবে এবং হ্যাং হওয়া শুরু করবে। processor core এবং speed যদি কম হয়, তবে RAM এর পরিমাণ বেশি থাকলেও স্মার্টফোন slow কাজ করবে।

এজন্য স্মার্টফোন কেনার পূর্বে খেয়াল করে প্রসেসর কোর এবং speed অবশ্যই দেখে নিবেন।
স্মার্টফোন ফাস্ট কাজ করার জন্য processor octa core হলে ভাল হয়। octa core processor এ আটটি হাত দিয়ে কাজ করার শক্তি পায়। ফলে এই প্রসেসরের স্মার্টফোনগুলো সকল ভারী কাজ অনেক সহজ প্রক্রিয়ায় করতে পারে কোন প্রকার hang বা slow না করেই।

অনেক সময় quad core processor কেও ভাল বলা যায় যদিও সেটা কিছু ক্ষেত্রে octa core processor থেকে অনেক slow কাজ করে। পরিশেষে আপনার ফোনের processor নিয়ে আরো একটি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে আর সেটি হল প্রসেসরের স্পীড। খেয়াল রাখবেন আপনার শখের স্মার্টফোনের processor speed যেন ১.৫ GHz এর চেয়েও বেশি হয়। আর নূন্যতম ২ GHz হলে আপনার স্মার্টফোন ফাটাফাটি খুব ফাস্ট কাজ করবে।

***Note – উপরে আমার বর্ণিত মতানুসারে যদি আপনার স্মার্টফোনে RAM এবং processor থাকে, তাহলে অনায়াসে আপনি স্মার্টফোনে সকল প্রকার কাজ যেমন, গেইমস গেলা ভিডিও দেখা, ইন্টারনেট ব্রাউজিং এবং মাল্টি টাস্কিং খুব দ্রুত এবং smoothly করতে পারবেন। মোবাইলে কোন প্রকার hang বা স্লো হবার কোন সুযোগ থাকবেনা। স্মার্টফোন ব্যবহার করে আপনি আলাদা এক অনুভূতি পাবেন।

৫. কিছু সাধারণ features / functions:

আমার মতে, একটি মোবাইলে কিছু জরুরি এবং এডভান্সড ফাংশন এবং ফিচারস থাকাটা দরকার। বর্তমানে এন্ড্রয়েড ফোনে অনেক রকমের functions এবং features এসে গেছে। এবং বর্তমানে অনেক কম দামের মোবাইলেও এসব ফিচারস দেওয়া থাকে। যেমন-

  • ১। face unlock – নিজের মুখ দেখিয়ে স্মার্টফোন unlock করা।
  • ২। finger print unlock – নিজের আঙুলের ছাপ (print) দিয়ে স্মার্টফোন আনলক করা।
  • ৩। WiFi host all – Wifi hotspot ফাংশন এর সাহায্যে আপনার স্মার্টফোনের ইন্টারনেট ডাটা অন্য স্মার্টফোনে ভাগাভাগি করতে পারবেন।
  • ৪। USB OTG SUPPORT – USB OTG support থাকলে আপনার ফোনের সঙ্গে pendrive বা USB device কানেক্ট করতে পারবেন।
  • ৫। App Clone :এই ফিচারটি ব্যবহার করে আপনি একই ফোনে যেকোনো apps একসঙ্গে দুইটি ব্যবহার করতে পারবেন।
  • ৬। Latest android version – আপনার স্মার্টফোনে যে operating system (OS) দেওয়া আছে সেটা যেন লেটেস্ট ভার্সন দেয়া থাকে।আপনার ফোনে এসকল সাধারণ কিছু features বা function দেয়া থাকলে মনে রাখবেন আপনার বাছাইকৃত মোবাইলটা leatest.

৬. Design এবং style :

এবিষয়টি নিয়ে আমি বেশি কিছু বলতে চাইনা, কারণ আপনি কোন ডিজাইন বা স্টাইল ব্যবহার করেন তা আপনার উপর নির্ভর করে। কিন্তু অবশ্যই এমন একটা স্মার্টফোন কিনবেন যার বডি slim হবে। এবং back কিছুটা সুন্দর হবে।বর্তমানে স্মার্টফোনগুলোর back অল্প shiny এবং ভিন্ন ভিন্ন কালারের হয়।

তবে স্মার্টফোনের ব্যাকপার্ট মেটাল ফিনিশিং হলে দেখতে বেশি ভাল লাগে। metal finising স্মার্টফোন কিনতে হয়ত আপনাকে বাজেট আরো একটু বাড়া হবে। তবে কিছু হার্ড প্লাস্টিক মেটারেল দিয়ে তৈরিকৃত স্মার্টফোনের ব্যাক দেখতে ভারি সুন্দর হয়। এটি আপনাকে নিচেই যাচাই করে দেখতে হবে।

৭. মোবাইলের ক্যামেরা (camera):

আপনি যদি ছবি তুলতে ভালবাসেন, তাহলে মোবাইল কেনার আগেই আপনাকে মোবাইলের ক্যামেরা কোয়ালিটি দেখে নিতে হবে। যদিও একটি high quality picture তোলার জন্য পিছনে back camera ১৩ mp এবং ৮ mp front camera থাকলেই যথেষ্ট। তাছাড়া যদি আপনি শুধুমাত্র HD photo তোলার জন্য স্মার্টফোন কিনেন তাহলে এর চেয়েও বেশি মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা যেমন ১৬ mp বা এর চেয়েও বেশি দাম দিয়ে কিনতে পারেন। ভিন্ন ভিন্ন মোবাইলের camera quality ভিন্ন ভিন্ন।

এজন্য স্মার্টফোন কেনার পূর্বে তার ক্যামেরা কোয়ালিটি অবশ্যই চেক করবেন। সাধারণত, Vivo, Redmi Mi, Samsung, Oppo, Asus, apple এসব কোম্পানির ১৩ mp camera quality বেশ ভাল হয়। আমি নিজেই Samsung কোম্পানির স্মার্টফোন ব্যবহার করছি এবং এর ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা কোয়ালিটি অনেক ভাল।

৮। মোবাইলের internal স্টোরেজ (Storage):

বর্তমান সময়ে অনেক রকমের storage space থাকা স্মার্টফোন বাজারে পাওয়া যায়। যেমন- ১৬ GB, ৩২GB, ৬৪GB, ১২৮GB এবং এরচেয়েও বেশি। মনে রাখবেন, আপনি যেই মোবাইলই কিনেন না কেন তাতে যেন নূন্যতম ৩২GB বা ৬৪GB ইন্টারনাল স্টোরেজ স্পেস থাকে।

কারণ আপনার ফোনে যত বেশি internal storage থাকবে তত বেশি apps, documents, files নিজের ফোনে রাখতে পারবেন। internal storage কম থাকলে আপনি ফোনে খুব বেশি apps install করতে পারবেন না। আর ফোনও slow কাজ করবে। আমার মতে ১২৮ GB internal storage হলে সবচেয়ে ভাল।

৯। Smartphone এর brand:

আমরা সাধারণত একটি স্মার্টফোন কেনার সময় কোম্পানি বা ব্র‍্যান্ডের উপর তেমন নজর দেইনা। যা আমাদের অনেক বড় একটি ভুল। আপনি যদি প্রথমবার স্মার্টফোন কিনেন তাহলে হয়ত ব্র‍্যান্ড এবং নন-ব্র‍্যান্ডের মধ্যে পার্থক্যটা বুঝবেন না। কিন্তু আমি অনেক ব্র‍্যান্ডের স্মার্টফোন ব্যবহার করেছি। সবশেষে আমি এতটুকু বলব একটি ভাল ব্র‍্যান্ডের স্মার্টফোনের কোয়ালিটি, ফাংশন এবং কর্মক্ষমতা অনেক বেশি উন্নত এবং ভাল।

এজন্য যখন আপনি টাকা দিয়েই স্মার্টফোন কিনবেন তাহলে একটি ভাল কোম্পানির স্মার্টফোন কিনলেই লাভবান হবেন। যেমন- Vivo, Samsung, Oppo, Redmi, One Plus, Nokia, Asus etc. এছাড়াও একটি উন্নত কোম্পানির সার্ভিস সেন্টার আপনি সবজায়গাতেই পাবেন। তাই যদি স্মার্টফোনটি নষ্টও হয়ে যায় তাহলে আপনি খুব সহজেই নিজের ওয়ারেন্টি মেয়াদের মধ্যে গিয়ে তা ফ্রি তেই ঠিক করতে পারবেন।

কিন্তু নন- ব্র‍্যান্ডের বা ছোট মোবাইল কোম্পানির সার্ভিস সেন্টারের কাজ তেমন ভাল হয় না। একবার স্মার্টফোন খারাপ হলে তারা আপনার স্মার্টফোন ঠিক করে দিতে অনেক সময় লাগিয়ে দিবে। এজন্য ভবিষ্যতে যেন আপনার অসুবিধে না হয় সেটা মাথায় রেখে একটি ভাল কোম্পানির স্মার্টফোন কেনার চেষ্টা করবেন। এটা আমার ব্যক্তিগত একটি পরামর্শ।

আমাদের শেষ কথা -ঃ

একটি স্মার্টফোন কেনার পূর্বে কোন কোন বিষয়ে খেয়াল রেখে একটি স্মার্টফোন কিনবেন সে বিষয়ে পরামর্শ দিলাম। এছাড়াও একটি ভাল স্মার্টফোন কেনার সময় কি কি ফাংশন বা ফিচারস দেখে নিবেন সেটির বিষয়েও বললাম। উপরে উল্লেখিত আমার মতানুসারে যদি আপনি একটি স্মার্টফোন কিনেন, তবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস আপনি অবশ্যই একটি সুন্দর, ভাল এবং সকল প্রকার ফিচারস সহ স্মার্টফোন পাবেন।

আমাদের লেখা নিবন্ধগুলো যদি আপনার ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমাদের এই নিবন্ধের বাইরে আপনার কোন মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন। নিয়মিত নতুন কিছু জানতে এবং শিখতে এই ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। সম্পূর্ণ নিবন্ধটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Share Is Caring.. ❤️

           

আসসালামু আলাইকুম। আমি পেশায় একজন চাকুরিজীবী এবং এই ওয়েবসাইটের এডমিন। আমি ব্লগ পড়তে এবং আর্টিকেল লিখতে পছন্দ করি। অবসর সময়ে ব্লগে বিভিন্ন বিষয়ে লিখে শেয়ার করে থাকি।

Leave a Comment