SEO ব্যাকলিংক কি ? কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন?

5/5 - (1 vote)

SEO ব্যাকলিংক কি? কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন?

এসইও এর জন্য ব্যাকলিংক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ব্যাকলিংক শব্দটি অনেকের কাছে খুবই জটিল মনে হয়। তাই আজ আমি SEO ব্যাকলিংক সম্পর্কিত কিছু কমন প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব। যেমনঃ SEO ব্যাকলিংক কি? কেন SEO ব্যাকলিংক করবেন? ডু-ফলো ব্যাকলিংক কি? কিভাবে SEO ব্যাকলিংক তৈরি করবেন? ইত্যাদি।

SEO ব্যাকলিংক কি?

ব্যাকলিংক জিনিসটা অনেকের কাছে খুব জটিল মনে হতে পারে। আমি জটিল করে কিছু বলব না। আজ আমি খুব সহজে বলব SEO ব্যাকলিংক কি। SEO ব্যাকলিংক হল একটি ওয়েবসাইট থেকে আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক।

যদি আপনার ওয়েবসাইটের একটি লিঙ্ক অন্য ওয়েবসাইটে থাকে তবে এটি আপনার সাইটের জন্য একটি ব্যাকলিংক। ব্যাকলিংককে রেফার লিঙ্কও বলা যেতে পারে। কারণ, অন্য সাইটে আপনার সাইটের লিঙ্ক থাকার অর্থ হল এটি আপনার সাইটের রেফার করছে।

কেন SEO ব্যাকলিংক গুরুত্বপূর্ণ?

একটা ছোট উদাহরণ দেই- মনে করুন, আমার ব্লগে কিভাবে অনলাইনে ইনকাম করা যায় সে সম্পর্কে আমার একটি পোস্ট আছে। আপনি আপনার বন্ধুকে বলেছেন যে এই পোস্টটি আইটিশহরবিডি ওয়েবসাইটে আছে এবং এটি একটি ভাল পোস্ট। তাহলে আপনি আমার ব্লগ পোস্টটি রেফার করলেন। আর আপনার বন্ধুর মনে আমার ব্লগ সম্পর্কে ভালো ধারণা হবে।

একইভাবে, একটি সাইটের সাথে অন্য সাইটের লিঙ্ক থাকলে, Google এর কাছে এটি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়। আর গুগল সহজেই সেই সাইটের র‍্যাঙ্কিং দেয়।
আরেকটা উদাহরণ দিলে আরও সহজে বুঝতে পারবেন। ধরুন আপনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির জন্য গেলেন। একই কাজের জন্য আরও ১২০ জনের ইন্টারভিউ ছিল। এখন ৪ জন ব্যাক্তি আপনাকে চাকরিতে নেওয়ার জন্য রেফার করেছে।

অর্থাৎ, তারা বলেছে আপনি একাজের জন্য বেশ উপযুক্ত। এবং অন্যদের জন্য ১ বা ২ জন বা কেউ রেফার করেনি। তারপর বলুন তো, কে চাকরি পাবে? কোন দুর্ঘটনা না হলে, শতভাগ নিশ্চিত আপনিই চাকরিটা পাবেন। ব্যাকলিংকও ঠিক এইভাবে কাজ করে। আপনার সাইটে যত বেশি ব্যাকলিংক থাকবে।

মানে, যত বেশি রেফার থাকবে, ঠিক তত বেশি সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাঙ্ক পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। ব্যাকলিংক হল গুগলের র‌্যাঙ্কিং সংকেত। আর তাই এসইও এর জন্য ব্যাকলিংক খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

কোয়ালিটি SEO ব্যাকলিংক কি?

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আগের চাকরির উদাহরণ দিতে চাই। ঠিক আছে, মনে রাখবেন, যে ৪ জন ব্যক্তি আপনাকে কাজের জন্য রেফার করেছিল। ধরুন যারা আপনাকে রেফার করেছেন তারা হলেন কিছু পুলিশ, কিছু ডাক্তার এবং কিছু বড় সরকারি কর্মকর্তা। আর অন্য আরেকজনের নাম ধরুন সিফাত। তাকে রেফার করেছে ২ জন। দুইজনই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও উপাচার্য। এখন বলুনতো কার চাকরিটা হতে পারে?

অবশ্যই সিফাত সাহেবের। তাই না? কারণ, তাকে তার চাকরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লোকজন রেফার করেছেন।
অর্থাৎ, তার রেফারটা একটি কোয়ালিটি রেফার হয়ে উঠেছে। একই জিনিস ব্যাকলিংকের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আপনার ব্লগের নিশ যদি SEO এর সাথে সম্পর্কিত হয়। তাহলে আপনার সাইটের এসইও সম্পর্কিত অন্যান্য সাইট থেকে ব্যাকলিংক পেতে হবে। তাহলেই কেবলমাত্র কোয়ালিটি ব্যাকলিংক হবে।

এমনকি খুব বিশ্বস্ত সাইট থেকে ব্যাকলিংক পেলে খুব তারাতারি ভাল র‌্যাঙ্ক পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ, .gov বা .edu ডোমেইন থেকে ব্যাকলিংক পাওয়া আপনার সাইটকে Google সার্চ ফলাফলে সহজে র‌্যাঙ্ক করতে সাহায্য করবে। নো ফলো বা ডু-ফলোর সমস্যাও রয়েছে। তবে বর্তমানে সার্চ রেজাল্টে এর তেমন প্রভাব নেই।

অ্যাঙ্কর টেক্সট-

আপনি যখন একটি পোস্টের লেখার ভিতরে একটি লিঙ্ক দেন, সেই লেখাটি অ্যাঙ্কর টেক্সট। ধরুন দশটি সাইটে আমাদের এই পোস্টের লিঙ্ক শেয়ার করা আছে। এখন ৬টি সাইটের “ব্যাকলিংক কি?” এই লেখাটির ভিতরে লিঙ্ক (Link) দেওয়া আছে। আবার অন্য আরও দুটি সাইটে, “কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন?” এই লেখাটির ভিতরে লিঙ্ক (Link) দেওয়া আছে। এবং অন্য কোন সাইটের অন্য কোন একটা লেখার ভিতরে লিঙ্ক (Link) দেওয়া আছে।

গুগল (Google) এখন কি বুঝবে? গুগল এখন খুব সহজেই বুঝতে পারবে “ব্যাকলিংক কি?” এই কীওয়ার্ডের জন্য আমার এই পোস্টটি বেশ উপযুক্ত বলে ধরে নিবে গুগুল। অতএব, সেই কীওয়ার্ডে এই পোস্টটি র‌্যাঙ্ক (Rank) করার সম্ভাবনা খুব খুব বেশি। তাই চেষ্টা করবেন আপনার পছন্দের কীওয়ার্ডের মধ্যে লিঙ্ক করতে।

ডু-ফলো ব্যাকলিংক কি?

ধরুন আপনি আপনার ওয়েবসাইট থেকে অন্য কারো ওয়েবসাইট ব্যাকলিংক করেছেন। কিন্তু আপনি চান যে Google আপনার সাইটের পাশাপাশি সেই ব্যাকলিঙ্ক করা সাইটটিকে ক্রল করুক। আর এজন্য আপনি যেভাবে লিঙ্ক তৈরি করবেন তাকে বলা হয় ডু-ফলো ব্যাকলিংক। ডু- ফলো ব্যাকলিংক করুন এসইও এর জন্য একটু অতিরিক্ত সাহায্য করে। তাই আপনি যদি আপনার সাইটের ব্যাকলিংক করতে চান তবে ৫০-৬৫% ডু-ফলো ব্যাকলিংক করার চেষ্টা করুন।

ডু-ফলো লিংক কোডঃ < a href=” https://itshohorbd.com ”> ITSHOHORBD < /a>

নো ফলো ব্যাকলিংক কি?

আরেকটি লিঙ্কিং হল নো ফলো লিঙ্কিং। নো-ফলো ব্যাকলিংকগুলি ডু-ফলো ব্যাকলিংকের ঠিক বিপরীত। এর মানে কোন সাইটকে লিঙ্ক দিবেন কিন্তু গুগুলকে সেই লিঙ্ক দ্বারা সাইট ক্রল করার জন্য মানা করবেন। অন্য কথায়, নো ফলো লিঙ্ক হল Google বা Bing সার্চ ইঞ্জিনে সেই লিঙ্কে প্রবেশ করবে না।

নো ফলো ব্যাকলিংক কোডঃ < a href=”https://itshohorbd.com” rel=”nofollow”>ItShohorBD< /a>

কিভাবে SEO ব্যাকলিংক তৈরি করবেন?

বিভিন্ন উপায়ে ব্যাকলিংক তৈরি করা যায়। তবে ভুলভাবে বা স্প্যামিংয়ের মাধ্যমে ব্যাকলিংক তৈরি করলে সাইটটি র‍্যাঙ্কিংয়ের পরিবর্তে নিচে নামবে। তাই এ ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। চলুন দেখে নেওয়া যাক বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় কিছু ব্যাকলিংক পদ্ধতি।

ইন্টারনাল লিঙ্কিং বা ইনবাউন্ড লিঙ্কিং-

আপনি যখন একটি পোস্ট লিখবেন, তখন আপনার সাইটের আগের কিছু পোস্ট নতুন পোস্টের সাথে লিঙ্ক করার চেষ্টা করবেন। এটি হল ইন্টারনাল লিঙ্ক। অন্য কথায়, আপনার নিজের সাইটে লিঙ্ক করা একটি ইন্টারনাল বা ইনবাউন্ড লিঙ্ক।

ইংরেজি (internal link or inbound link)। ইন্টারনাল লিঙ্কিং আপনার সাইটে ভিজিটর সংখ্যা বৃদ্ধি করবে। কারণ ভিজিটররাও আগের পোস্টগুলো পড়বে। এটি সাইটের বাউন্স রেটও কমিয়ে দেবে। আর আপনি সহজেই সার্চ রেজাল্টে র‍্যাঙ্ক পাবেন।

আউটবাউন্ড লিঙ্ক বা এক্সটার্নাল লিঙ্কিং-

পোস্ট লেখার সময় খুব ভালো করে পোস্ট লিখতে হয়। একটি পোস্ট লেখার জন্য অনেক বিশ্লেষণের প্রয়োজন হয়। আপনি যদি আপনার পোস্টে আপনার পোস্ট সম্পর্কিত বিভিন্ন সাইট লিঙ্ক করেন তবে এটি একটি আউটবাউন্ড লিঙ্ক। আউটবাউন্ড লিঙ্কের অনেক সুবিধা।

আপনি যদি একটি সাইট আউটবাউন্ড লিঙ্ক করেন তবে এটি আপনার পোস্টের পিছনে বিশ্লেষণের প্রমাণ। পোস্ট সম্পর্কিত অন্য সাইটে লিঙ্ক দিলে গুগল বুঝবে আপনি অনেক গবেষণা করে পোস্টটি লিখেছেন। তাই গুগলের কাছে পোস্টের দাম অনেক বেড়ে যাবে। আর গুগল আপনাকে সহজেই র‌্যাঙ্ক করবে।

অন্যান্য ব্লগাররাও এই পোস্টটি পছন্দ করবেন। তাই তারা তাদের পোস্টে আপনার পোস্টের ব্যাকলিংকও দেবে। আপনার সাইটটি ওয়ার্ডপ্রেস সাইট হলে আরও একটি সুবিধা রয়েছে।

আপনি যদি অন্য ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে ব্যাকলিংক করেন, তাহলে সেই সাইটের অ্যাডমিনকে ব্যাকলিংক ফেরত দেওয়ার জন্য জানানো হবে। তিনি নোটিফিকেশন অনুমোদন করলে, আপনি একটি ডু-ফলো ব্যাকলিংক পাবেন। একে বলা হয় ওয়ার্ডপ্রেস পিংব্যাক (WordPress Pingback)।

প্রোফাইল ব্যাকলিংক-

আরেকটি ব্যাংকলিংক পদ্ধতি। প্রোফাইল লিঙ্কিং একটি খুব সহজ এবং কার্যকর ডু-ফলো ব্যাকলিংক। আপনি বিভিন্ন সাইটে আপনার অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। এই অ্যাকাউন্টে আপনার ওয়েবসাইটে লিঙ্ক দেওয়ার অপশন থাকে।

আপনি সেখানে আপনার সাইটের লিঙ্ক যোগ করুন। তারপর সেই লিঙ্কটি আপনার প্রোফাইলে দেখাবে। এবং এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ডু ফলো ব্যাকলিংক হয়। এইভাবে আপনি সহজেই ২০-৩০ টি সাইটে ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারেন। যা আপনার সাইটকে গুগলের প্রথম পেজে আনতে সাহায্য করবে।

কমেন্ট ব্যাকলিংক-

এছাড়াও আপনি বিভিন্ন সাইটে ব্লগে কমেন্ট করে ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে স্প্যামিং থেকে দূরে থাকুন। অযথা কমেন্টে লিঙ্ক দিবেন না। কারণ বেশি কমেন্ট ব্যাকলিংক আপনার সাইটের স্প্যাম স্কোর অনেক বাড়িয়ে দেবে। যা আপনার জন্য ক্ষতিকর। কমেন্ট করার সময় বেশিরভাগ ব্লগের নাম, ইমেল এবং ওয়েবসাইট লিঙ্কের প্রয়োজন হয়।

আপনি নামের জায়গায় আপনার নাম বা কীওয়ার্ড লিখতে পারেন। এবং অবশ্যই কমেন্ট করার সময়, সেই পোস্টের উদ্দেশ্যে ভাল কিছু লিখুন। সাইটের মালিক খুশি হবে। এবং আপনার কমেন্ট এপ্রুভ করা হবে। এটি সহজেই আপনার দেওয়া নামের ভিতরে একটি ব্যাকলিংক তৈরি করবে।

গেস্ট ব্লগিং দ্বারা ব্যাকলিংক-

গেস্ট ব্লগিং হল ব্যাকলিংক পাওয়ার সবচেয়ে নিরাপদ এবং সবচেয়ে কার্যকর উপায়। আপনি অন্য কারো ব্লগে লিখে আপনার সাইটের জন্য ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারেন। এক্ষেত্রে পোস্ট লেখার সময় আউটবাউন্ড লিংক হিসেবে আপনার সাইটের একটি লিঙ্ক দিন। তবে পোস্ট রিলেটেড লিংক দিতে হবে। অন্যথায় এটি স্প্যাম হিসাবে বিবেচিত হতে পারে। তাহলে উল্টোটা ঘটবে।

আশাকরি উপরে লেখার মাধ্যমে আমি আপনাকে অন্তত ব্যাকলিংক সম্পর্কে একটু ধারণা দিতে পেরেছি। আপনি এখন নিজেই ব্যাকলিংক তৈরি করতে সক্ষম হতে পারেন। আপনি যদি না পারেন, আপনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

ব্রোকেন লিংক বিল্ডিং (Broken link building)-

এটি একটি খুব সহজ এবং কার্যকর উপায়। এইভাবে অনেক বড় অথরিটি দাইট থেকে লিঙ্কগুলি নেওয়া যেতে পারে। ব্রোকেন লিঙ্কগুলিকে ডেড লিঙ্ক বলা যেতে পারে। ব্রোকেন লিংক হল এমন একটি সাইটের লিঙ্ক যা আর বিদ্যমান নেই বা কাজ করে না।

ধরুন একটি “a” এবং অন্যটি “b”। এখন “A” সাইটের একটি পেজে “B” সাইটের একটি লিঙ্ক শেয়ার করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেই লিঙ্কটি আর “B” সাইটে নেই, অর্থাৎ এটি একটি ব্রোকেন লিঙ্ক। আসুন জেনে নেই কিভাবে ব্রোকেন লিংক বিল্ডিং করবেন।

প্রথমে, আপনার সাইটের ক্যাটাগরির সাথে মেলে এমন একটি সাইট খুঁজুন। তারপর ব্রোকেন লিংক ফাইন্ডারের মাধ্যমে সেই সাইটের ব্রোকেন লিঙ্ক খুঁজে নিন। আপনার কাংখিত কোন লিংক পেলে প্রায় অর্ধেক কাজ শেষ। যে পেজে সেই লিঙ্ক আছে সেই লিঙ্কটি কপি করুন।

এবং লিঙ্কে কীওয়ার্ড বা অ্যাঙ্কর টেক্সট কপি করুন। লিংক দেওয়া সাইটের কন্টাক্ট পেজ থেকে সাইটের মালিকের সাথে যোগাযোগ করুন। এক্ষেত্রে আপনি মেইল ​​করতে পারেন। তাদেরকে তাদের পেজে থাকা ব্রোকেন লিঙ্ক সম্পর্কে জানান। এবং সেই লিঙ্কের বিকল্প হিসেবে আপনার সাইটের একটি লিঙ্ক সাজেস্ট করুন। তাহলে সাইটের মালিক খুশি হয়ে সেখানে আপনার লিঙ্ক দিবেন।

খুশি হবে মানে? খুশি হবে কেন? হ্যাঁ, এখানেই সেই মজার বিষয়। কারণ, ব্রোকেন লিঙ্ক সাইট এসইওর জন্য বেশ ক্ষতিকর। এবং যেহেতু আপনি তাদের সাইটে ব্রোকেন লিঙ্ক খুঁজে দিয়েছেন, এজন্য তারা অবশ্যই খুশি। এবং আপনাকে একটি দেওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।

মনে রাখবেন, শুধুমাত্র সবার সাথে যোগাযোগ করে আপনি লিঙ্কটি নিতে পারবেন না। হয়তো আপনি যদি ২০ জনের সাথে যোগাযোগ করেন, ৮-১০ জন আপনাকে লিঙ্কটি দেবে। তবে মনে রাখবেন, এই ৮-১০ টি লিঙ্ক খুব সহায়ক হবে আপনার এসইওর জন্য।

SEO ব্যাকলিংক নিয়ে গবেষণার ফলাফল-

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে গুগলের ১ম পেজে শীর্ষ ১০টি ওয়েবসাইটের মধ্যে ৭৭.৯% ওয়েবসাইটের কমপক্ষে ১টি ব্যাকলিংক রয়েছে। এবং শীর্ষ ৫০টি ওয়েবসাইটের ৯৯.১% এর অন্তত একটি ব্যাকলিংক রয়েছে।

ব্যাকলিংক এবং গুগল র‌্যাঙ্কিংয়ের মধ্যে সম্পর্কছবি:

SEO ব্যাকলিংক কি কিভাবে করবেন -itshohorbd এসইও ব্যাকলিংক
এসইও ব্যাকলিংক

সুতরাং আপনি বুঝতে পারছেন যে আপনার সাইটের জন্য ব্যাকলিংক কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই আজ থেকেই সাইটের লিঙ্ক বিল্ডিং শুরু করুন।

শেষ কথা

আশা করছি, আজ আমি আপনাদের ব্যাকলিংক সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দিতে পেরেছি। আপনার যদি কিছু বুঝতে সমস্যা হয় বা আপনার যদি কোন পরামর্শ থাকে তবে দ্রুত কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুল করবেন না। নিয়মিত এমন সব বিষয় জানতে এই ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। ধন্যবাদ সবাইকে।

Share Is Caring.. ❤️

           

আসসালামু আলাইকুম। আমি পেশায় একজন চাকুরিজীবী এবং এই ওয়েবসাইটের এডমিন। আমি ব্লগ পড়তে এবং আর্টিকেল লিখতে পছন্দ করি। অবসর সময়ে ব্লগে বিভিন্ন বিষয়ে লিখে শেয়ার করে থাকি।

Leave a Comment