মোবাইল চুরি বা হারানোর জিডি –
প্রিয় পাঠক মোবাইল ফোন চুরি হওয়া বা ছিনতাই হওয়া কিংবা হারিয়ে যাওয়া এটি একটি কমন সমস্যা। আবার অনেক সময় মনের অজান্তে কোথাও মোবাইল রেখে আসলে খুব দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়তে হয়।
মোবাইল ফোন হারিয়ে ফেললে একদিকে যেমন আর্থিক ক্ষতি হয় আবার অন্যদিকে মোবাইলের থাকা অনেক তথ্য অন্যের হাতে চলে যাবার সম্ভাবনা থাকে। বর্তমানে অনেকেই আমরা মোবাইলে অনেক প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সেভ বা সংরক্ষণ করে রাখি।
এই যুগে মোবাইল ফোন আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হবার কারণে আমাদের পার্সোনাল ইনফরমেশন থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় অফিশিয়াল ডকুমেন্টস মোবাইলে রাখতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করি।
আর এজন্যই সেই মোবাইল হারিয়ে গেলে, তখন মোবাইলের চেয়ে মোবাইলে থাকা বিভিন্ন তথ্য নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা হয়।

হঠাৎ করে যেকেউ মোবাইল হারনোর যন্ত্রণা পেতে পারেন। হাতের নাগালে ফোন না পেলে মূহুর্তেই নানা দুশ্চিন্তা ঘিরে ঘিরে ধরে। যেমন- ফোন কি সোফায় লুকালো নাকি অফিসের ফাইলের ভেতরে রেখে আসলেন, নাকি রাড়িতে রেখে এসেছেন।
অন্য কারো মোবাইল থেকে কল দিয়ে নিশ্চিত হবেন হয়তো সেই উপায়ও নেই। কাজের সুবিধার্থে নিজেই মোবাইল সাইলেন্ট মোড করেছিলেন হয়তো। এমন ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবার উপায় করে দিয়েছে গুগল।
আপনার মোবাইলটা খুঁজে না পেলে প্রথমে থানায় পুলিশের কাছে না গিয়ে নিজেই অল্প কিছু ধাপ অনুসরণ করে মোবাইল খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।
আজকের আর্টিকেলে আমরা জানব কিভাবে হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া মোবাইল খুঁজে পাওয়া যায়? আমি আশা করছি নিম্নোক্ত পরামর্শ গুলো অনুসরণ করলে আপনার চুরি হওয়া মোবাইল ফোনটি খুব সহজেই কোন রকম ঝামেলা ছাড়া খুঁজে বের করতে পারবেন।
একই সঙ্গে একটি স্মার্টফোন হারিয়ে গেলে কোনো সফটওয়্যারের সাহায্যে IMEI এর মাধ্যমে হারানো মোবাইল ফোন খুঁজে পাওয়া যায় কি না? সেই সম্পর্কেও আলোচনা করব।
Also Read
কিন্তু আপনি যদি এত ঝামেলা না করে সরাসরি থানা বা পুলিশের সাহায্যে মোবাইল খুঁজে পেতে চান, তাহলে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি না পড়ে এই আর্টিকেলের নিচের অংশে যেতে পারেন।
কারণ পুলিশের সহায়তা পেতে প্রাথমিক অবস্থায় থানার ওসির বরাবর হারানো মোবাইল সম্পর্কে জিডি (General Dairy) করার জন্য আবেদন করতে হয়।
আপনি কিভাবে জিডির আবেদন করবেন সেই সম্পর্কে এই আর্টিকেলের নিচে থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন। এছাড়াও হারানো মোবাইলের জিডির আবেদনের নমুনা দেওয়া আছে।
মোবাইল চুরি হলে খুঁজে পাওয়ার উপায় কি?
চুরি হওয়া মোবাইল খুঁজে পাওয়া সম্পর্কে আলোচনা করার আগে হারানো মোবাইল খুঁজে বের করার বিষয়ে আমরা যে স্বাভাবিক চিন্তা করি সেই বিষয়ে আলোচনা করব। তারপর হারানো মোবাইল কিভাবে খুঁজে পেতে পারি সেই বিষয়ে পর্যায়ক্রমে বিস্তারিত আলোচনা করব।
মোবাইল চোরকে ধরার উপায়
অনেকেই আছেন মোবাইল চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে বিভিন্ন অনলাইন টুলস অথবা সফটওয়্যারের সাহায্যে মোবাইল খুঁজে পাওয়ার প্রক্রিয়া খুঁজে থাকেন।
আপনি স্পষ্ট ভাবে জেনে রাখুন, হারানো মোবাইল খুঁজে পাবার যে সকল অনলাইন টুলস এবং সফটওয়্যার রয়েছে সেগুলো ফোন হারানোর আগে থেকে ঐ মোবাইলে ইন্সটল না থাকলে সেই টুলস বা সফটওয়্যার কাজ করবে না।
হারানো মোবাইল ফিরে পেতে যে টুলস বা সফটওয়্যার ব্যবহার করেন না কেন সেটি আপনাকে মোবাইল হারানোর আগে মোবাইলে ইন্সটল করে রাখতে হবে। তাহলেই শুধুমাত্র আপনি টুলস বা সফটওয়্যারের সাহায্যে মোবাইল খোঁজার চেষ্টা করতে পারেন।
আপনি নিম্নের যেকোনো একটি মোবাইল এপলিকেশন মোবাইলে ইন্সটল করা থাকলে মোবাইল খোঁজার চেষ্টা করতে পারেন।
মোবাইল চোর ধরার সফটওয়্যার
- Google Find My Phone
- Wheres My Droid
- Plan B
- Lookout
- Last Phone
IMEI নাম্বার দিয়ে মোবাইল খুজে বের করা
যেকোনো মোবাইলের IMEI নাম্বারটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মোবাইলের IMEI নাম্বার গুলো ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। একটি মোবাইলের IMEI নাম্বার অন্য কোনো মোবাইলের IMEI নাম্বারের সঙ্গে কখনো মিলে না।
আইনের সাহায্যে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল খোঁজার ক্ষেত্রে IMEI নাম্বার অবশ্যই লাগবে। এজন্য আপনার হারানো মোবাইলের IMEI নাম্বারটি জানা না থাকলে আপনি এই পদ্ধতিতে মোবাইল খুঁজতে পারবেন না।
আপনি আরও জেনে রাখুন আপনি নিজে নিজে কখনো IMEI নাম্বার দিয়ে খুঁজে পাবেন না। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত পুলিশ, র্যাব এককথায় প্রশাসন ব্যতিত অন্য কেউ IMEI নাম্বারের সাহায্যে মোবাইলের লোকেশন ট্র্যাকিং করতে পারে না। সুতরাং নিজে নিজে IMEI নাম্বারের সাহায্যে হারানো মোবাইল খোঁজার বিষয়টি ভুলে যান।
হারানো মোবাইল উদ্ধার করার উপায়
আপনি মোবাইল ফোন খুঁজে পাচ্ছেন না অথবা চুরি বা ছিনতাই হয়ে গেছে? কি করবেন ভেবে পাচ্ছেন না? চিন্তার কোন কারণ নেই। গুগল আপনার হারিয়ে যাওয়া মোবাইলের লোকেশন খুঁজে দিতে সাহায্য করবে।
আপনি হয়তো এই লেখাটি পড়ে আশ্চর্য হচ্ছেন, তাই না!! আশ্চর্য হবার কিছু নেই, আপনি নিম্নোক্ত কিছু টিপস অনুসরণ করে গুগল থেকে আপনার হারানো মোবাইল খুঁজতে পারবেন।
গুগলে মোবাইল ফোন খুঁজার জন্য কি কি লাগবে?
প্রথমে – আপনার মোবাইলের Settings > Google > Security > অথবা Settings> Additional Settings> এই অপশনে গিয়ে Find My Device অপশনটি অন করে রাখতে হবে।
দ্বিতীয়ত – মোবাইলের Location অপশনটি অন থাকতে হবে।
তৃতীয়ত – আপনার মোবাইলে অবশ্যই একটি জিমেইল একাউন্ট লগইন করা থাকতেই হবে।
চতুর্থত – লগইন করা জিমেইল আইডি এবং জিমেইল আইডির পাসওয়ার্ড জানা থাকতে হবে।
সর্বশেষ – হারানো ফোনে ইন্টারনেট কানেকশন অন থাকতে হবে।

চুরি হওয়া মোবাইল গুগলে খুঁজার উপায়
হারানো মোবাইল গুগলে খুঁজে পেতে আপনার হারানো মোবাইলে যে জিমেইল আইডি লগইন করা আছে সেই জিমেইলের পাসওয়ার্ড দিয়ে অন্য যেকোনো কম্পিউটার বা মোবাইল ব্রাউজারে গিয়ে আপনার জিমেইল একাউন্ট লগইন করুন।
এরপর গুগলে “Find My Phone” অথবা “Find Your Phone” লিখে সার্চ করুন। এছাড়া আপনি গুগল My Account থেকে সরাসরি লিংক এর সাহায্যে গেলে নিচের চিত্রের ন্যায় আপনা জিমেইল একাউন্টে যতগুলো মোবাইল সংযুক্ত আছে সবগুলোর একটি তালিকা পাবেন।

উপরের চিত্রটি লক্ষ্য করুন আমার জিমেইল আইডিতে একটি মোবাইল সংযুক্ত তাই একটি দেখাচ্ছে। আপনার আরও বেশি থাকলে আরও বেশি দেখাবে।
এখান থেকে আপনার হারানো মোবাইলের মডেলের নামের উপর ক্লিক করলে নিচের এই পেজটি ওপেন হবে। এখান থেকে আপনি হারানো মোবাইলটি ঘরে বসেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

এই চিত্রটি দেখুন আমার মোবাইলের বর্তমান অবস্থান দেখাচ্ছে। এভাবেই খুব সহজেই আপনি আপনার হারানো ফোন কোথায় আছে জেনে নিতে পারেন।
এছাড়াও এই পদ্ধতি ব্যবহার করে খুব সহজেই আপনার পরিবারের যেকারো অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারবেন। যেমন- আপনার স্ত্রীর মোবাইল একটি জিমেইল একাউন্ট দিয়ে লগইন করা আছে।
আপনি সেই জিমেইল এবং পাসওয়ার্ড জেনে নিয়ে খুব সহজেই সে কোথায় যাচ্ছে কিংবা বর্তমানে কোথায় আছে সেটি জানতে পারবেন।
[বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ– স্বামী /স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ড /বয়ফ্রেন্ডকে ট্রাকিং করার কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনা ঘটলে সেই দায় সম্পূর্ণ আপনার। ]
এছাড়া পাশের Ring অপশনে ক্লিক করলে মোবাইল সাইলেন্ট মোডে থাকলেও মোবাইল বেজে উঠবে। তাছাড়া মোবাইল হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলে ফোন লক করে দিতে পারবেন। সেই সঙ্গে মোবাইলের স্ক্রিনে একটি Contact নাম্বার সেট করতে পারবেন।
এতে চোর আপনার ঐ নাম্বার ব্যতীত অন্য কাউকে কল দিতে পারবে না। তাছাড়া সেই সঙ্গে আপনার মোবাইলটি ফিরিয়ে দেয়ার জন্য চোরকে Massage পাঠাতে পারবেন।
শুধু তাই নয়, আপনার ফোনে ব্যক্তিগত তথ্য যেমন- ফেইসবুক টুইটার সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছুতে লগইন করা থাকতে পারে। যা দিয়ে চোর আপনার ক্ষতি করতে পারে কিংবা খারাপ কিছু করতে পারে।
এইক্ষেত্রে আপনি উপরের চিত্রের বাম পার্শ্বের অপশন গুলো ব্যবহার করে হারানো মোবাইলের যাবতীয় তথ্য ডিলিট করতে পারেন।
থানা পুলিশের মাধ্যমে হারানো মোবাইল খুঁজে পাওয়ার উপায়
হারানো মোবাইল খুঁজে পেতে প্রথমে আপনার নিকটস্থ থানায় গিয়ে জিডি করতে হবে। কারণ আপনার ফোনের সিম দিয়ে চোর কোন অপরাধ করলে তার সম্পূর্ণ দায় ভার প্রাথমিক পর্যায়ে আপনার উপর এসে পরবে।
এজন্য মোবাইল চুরি হবার সাথে সাথে সিম কোম্পানির কল সেন্টারে যোগাযোগ করে আপনার সিমটি লক করে দিবেন। পুলিশের সহায়তায় মোবাইল ফিরে পেতে আপনাকে মোবাইলের সকল তথ্য, মোবাইলের মডেল নাম্বার, সিমের তথ্য এবং কখন, কোথায় এবং কিভাবে হারিয়েছে সেইসব বিস্তারিত তথ্য দিয়ে থানার ওসি বরাবর জিডির আবেদন করতে হবে।
জিডি করতে হলে অবশ্যই মোবাইলের IMEI নাম্বারটি জানা থাকতে হবে।IMEI নাম্বার জানা থাকলে পুলিশের সহায়তায় সহজেই মোবাইলের বর্তমান লোকেশন জানা যাবে। আমাদের দেশের অনেক লোক থানা পুলিশের কাছে যেতে ভয় পায়।
মোবাইল হারানোর জিডি বা হারানো মোবাইলের জিডি করতে আপনার কোন ভয় নেই। আপনি মোবাইলের মডেল নাম্বার IMEI নাম্বার সহ সকল তথ্য কম্পিউটারে টাইপ করে প্রিন্ট করে থানার ওসি বরাবর একটি জিডির আবেদন করবেন।
এরপর প্রিন্ট করা জিডি কপিসহ থানার ডিউটি অফিসারের কাছে গেলে সে কোন টাকা-পয়সা ব্যতীত আপনার জিডির আবেদন গ্রহণ করবেন। সেই সঙ্গে আবেদনটি ডায়েরি ভূক্ত করে আপনাকে জিডির একটি কপি ফেরত দিবেন।
এরপর জিডির এক কপি একজন তদন্ত কারী অফিসারকে দিবে। এরপর আপনি তদন্ত কারী অফিসারের নিকট কোথায়, কখন এবং কিভাবে মোবাইল হারিয়েছে ইত্যাদি তথ্য দিলে তিনি আপনার মোবাইলের লোকেশন ট্র্যাকিং করতে থাকবেন।
তবে মনে রাখবেন, হারানো মোবাইল ফোনটি যদি বন্ধ অবস্থায় থাকে তাহলে লোকেশন ট্র্যাকিং করা সম্ভব নয়। এরকম হলে আপনাকে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। চোর যখন আপনার মোবাইল চালু করবে তখন পুলিশ মোবাইলের লোকেশন জেনে নিয়ে মোবাইল ফোন পেতে পারে।
কেন থানায় জিডি করা প্রয়োজন?
কম দামি মোবাইল কিংবাফোনে তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু না থাকলে অনেকেই মোবাইলের বিষয়ে থানায় জিডি করতে চান না। অনেকেই মনে করেন হারিয়ে গেলে মোবাইল ফোন আর ফিরে পাওয়া যায় না।
মোবাইলে গুরুত্বপূর্ণ কিছু থাকুক কিংবা না থাকুক অবশ্যই মোবাইল হারিয়ে গেলে জিডি করা উচিৎ। কারণ সেই মোবাইল দ্বারা কেউ অপরাধ করলে সেটি যেন আপনার উপর না এসে বর্তায়। মামলা/জিডি করে রাখলে পরে সেটির কপি দেখিয়ে রক্ষা পেতে পারবেন।
মোবাইল হারিয়ে গেলে জিডি করার নিয়ম
দেশের যেকোনো থানায় জিডি করার নিয়ম হলো সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করা। একটি পূর্ণাঙ্গ হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের জিডির নমুনা নিচে দেওয়া হলো-
মোবাইল হারানোর জিডি নমুনা
বরাবর
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
কাফরুল মডেল থানা, ঢাকা ১২০৬।
বিষয়ঃ সাধারণ ডায়েরি প্রসঙ্গে।
জনাব আমি মোঃ আবুল কাশেম, পিতা মোঃ আব্দুল হাকিম, স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম- তামাকল, পোস্ট- ইন্তাজগঞ্জ, থানা-রামু, জেলা-কক্সবাজার। বর্তমান ঠিকানা – ছায়া সূর্য, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ১২০৬, ঢাকা। আপনার থানায় উপস্থিত হয়ে এই মর্মে সাধারণ ডায়েরি করিতেছি যে, আমার ছোট ভাই মোঃ আবুল হাসেম অদ্য ২৬/০৮/২০২৪ খ্রিস্টাব্দ তারিখ সকাল ১০.০০ ঘটিকার সময় সরকারি মিরপুর বাংলা কলেজে যাবার জন্য কলেজের সরকারি বাস ধরার উদ্দেশ্যে বাসা হতে রিকশা যোগে কচুক্ষেত স্বাধীনতা চত্বর এলাকায় গেলে তথা তিন হতে চার জন ছিনতাইকারী আমার ছোট ভাইয়ের হাতে থাকা iPhone 14 pro max ( যার IMEI নাম্বার- ২৬৮৯৬৯৯০৫৮৯৩৩৪৬) মোবাইলটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এছাড়াও উক্ত মোবাইলে আমার ছোট ভাইয়ের নামে নিবন্ধিত একটি সিম ছিল যাহার নাম্বার ০১৯১৪০৬XXXX। আমার এবং আমার ছোট ভাইয়ের ভবিষ্যত নিরাপত্তা বিবেচনায় এবং ছিনতাইকৃত মোবাইল উদ্ধারের জন্য উপরোক্ত বিষয়টি আপনার থানায় সাধারণ ডায়েরি ভুক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক।
অতএব, জনাব উপরোক্ত বিষয়টি আপনার থানায় সাধারণ ডায়েরি ভুক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাধিত করবেন।
বিনীত নিবেদক
( মোঃ আবুল কাশেম )
ছায়া সূর্য, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ১২০৬।
মোবাইলঃ ০১৭১২৩৪XXXX
সবার সুবিধার্থে উপরে একটি জিডি’র নমুনা দিয়ে দিলাম। এখান থেকে পড়ে ধারণা নিয়ে আপনি এরকম একটি জিডির আবেদন লিখতে পারবেন। এজন্য এই লেখাটিকে শেয়ার করে সংরক্ষণ করে রাখুন।
এগুলো পড়তে পারেন –
- মোবাইলে ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধির উপায়
- ১৫ টি সেরা এন্ড্রয়েড টিপস এবং ট্রিকস
- মোবাইল কেনার আগে যে ৯টি বিষয়ের উপর নজর দিবেন
মেয়েদের জন্য পরামর্শ
একটি স্মার্টফোনে নিজেদের এমন কোন ছবি বা ভিডিও রাখবেন না যা প্রকাশ হলে আপনার জন্য ভবিষ্যতে ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে যারা স্মার্টফোনে ফেইসবুক /ইন্সট্রাগ্রাম /টুইটার/ টিকটক ইত্যাদি ব্যবহার করেন।
তাদের মোবাইল হারিয়ে যাওয়া মাত্র সকল সোশ্যাল মিডিয়ার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে একবার আইডি ডিএক্টিভ করে দিন। তারপর পুনরায় আবার এক্টিভ করুন। তাহলে মোবাইল চুরি বা হারিয়ে যাওয়ার পরে আপনাকে আর কেউ হয়রানি করতে পারবে না।
শেষ কথা –
প্রিয় পাঠক আশা করছি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন মোবাইল ফোন হারিয়ে ফেললে কি করবেন এবং কিভাবে করবেন।
আজকের পোস্ট সম্পর্কিত আপনার কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাবেন। যথাযথ উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব। পোস্ট টি ভাল লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।


